নাম ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’। আদতে টয়ট্রেন। পাহাড়ের সাধারণ মানুষকে ভোটমুখী করতে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে এবং নির্বাচন কমিশনের অভিনব উদ্যোগ ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি।
শুক্রবার দার্জিলিং স্টেশন থেকে বাতাসিয়া লুপ পর্যন্ত ওই বিশেষ ‘ডেমোক্রেসি এক্সপ্রেস’ টয়ট্রেনের সূচনা হয়। ট্রেনের প্রতিটি বগিতে রয়েছে ভোটদানের গুরুত্ব এবং সচেতনতামূলক নানা পোস্টার৷ এছাড়াও যাত্রাপথে মাইকে ভোটারদের নির্ভয়ে ও সততার সঙ্গে নিজের ভোট (West Bengal Assembly Election) নিজে দেওয়ার আবেদন রাখা হয়। ভোটের আগে পাহাড়বাসীর কাছে পৌঁছে যেতে এবার ওই অভিনব উদ্যোগ নির্বাচন কমিশন এবং দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের।
২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন৷ এদিনই পাহাড়ে ভোটগ্রহণ করা হবে৷ তার আগে চলবে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির অভিযান। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী ও জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হরিশঙ্কর পানিক্করের উপস্থিতিতে এদিন সকালে দার্জিলিং স্টেশন থেকে শুরু হয় ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের অধিকর্তা বলেন, “গণতন্ত্রের উৎসবকে সফল করতে সকল ভোটারকে অংশগ্রহণ করতে হবে৷ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ টয়ট্রেনের যে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণ, তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনী সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি৷ আমাদের লক্ষ্য হল এই ঐতিহাসিক মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে প্রতিটি নাগরিককে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা।”
জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়ের প্রতিটি স্টেশনে ট্রেনটি থেমে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভোটদানের বার্তা পৌঁছে দেবে ৷ বিশেষত নতুন ভোটারদের উৎসাহিত করতে এই ‘মেগা সুইপ’ কর্মসূচি৷ প্রশাসন এবং রেল কর্তৃপক্ষ আশা করছে, হেরিটেজ টয়ট্রেনের হুইসেল পাহাড়ের প্রতিটি কোণায় গণতান্ত্রিক অধিকারের বার্তা পৌঁছে দেবে এবং নির্বাচনে রেকর্ড ভোটদান নিশ্চিত করবে।