• ভোটের আগে উলটপুরাণ! ডোমকলে তৃণমূলের অফিস দখল সিপিএমের, জোড়া ফুল ছেড়ে লাল ঝান্ডা ধরলেন শয়ে শয়ে কর্মী!
    প্রতিদিন | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ভোট (West Bengal Assembly Election) আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক দলবদল চলছে। মুর্শিদাবাদেও দলবদল হল। ভোটের আগে উলটপুরাণ! ডোমকলে তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে গেলেন কয়েকশো কর্মী-সমর্থক। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ও সিপিএমের দখলে চলে গেল। শাসকদল থেকে সিপিএমে দলবদল! এই ঘটনা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এবারের ভোটে মুর্শিদাবাদে রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে একাধিক চর্চা চলছে। এই ঘটনা সেই সমীকরণকে আরও উসকে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

    জানা গিয়েছে, গতকাল, শুক্রবার ডোমকলের ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা সিপিএমে যোগ দিলেন। তৃণমূলের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি বাবু মালিথার নেতৃত্বে ওই দলবদল হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন ডোমকলের সিপিআইএম প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। সিপিআইএম নেতার দাবি, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের রেন্টু মণ্ডল নামের আরেক তৃণমূল নেতাও যোগ দিয়েছেন। রীতিমতো মিছিল করে তৃণমূল কর্মীরা সিপিএমে যোগ দেন। ওই এলাকাতেই একটি তৃণমূলের কার্যালয় ছিল। সেটির রঙও এক লহমায় বদলে গেল বলে খবর।

    এবার থেকে ওই কার্যালয় সিপিএমের লোকজনই ব্যবহার করবে বলে খবর। যদিও এই ঘটনাটিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির বলেন, “বিভিন্ন দুর্নীতির কারণে অনেকদিন আগেই দল থেকে ওই নেতাকে আগেই বের করে দেওয়া হয়েছে। সেই কিছু লোক নিয়ে সিপিআইএমে গিয়েছে শুনলাম। তাতে আমাদের কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ তিনি তৃণমূলেই ছিলেন না।” এদিকে কার্যালয় বদল হয়ে যাওয়ার ঘটনা? সেই বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, “ওটা বাবু মালিথার ব্যক্তিগত বসার জায়গা। তার পরিবর্তনে জায়গাটিরও পরিবর্তন হবে এটাই নিয়ম। ওটা আমাদের দলের জায়গা নয়।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)