শুক্রবার দিনভর দেবাশিস কুমার (Debasish Kumar) বাড়িতে তল্লাশি চলেছে আয়কর দপ্তরের (IT Raid)। ১৫ ঘণ্টা ধরে তাঁর বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয় ছিল আয়কর আধিকারিকদের দখলে। বাড়ির বাইরে কড়া পাহারায় ছিল বাহিনী। প্রতিবাদে এবার কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল কংগ্রেস। আইনি বৈধতা ছাড়াই কীভাবে একজন জনপ্রতিনিধিকে হেনস্তা? আয়কর দপ্তরের বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে কমিশনে চিঠি ঘাসফুল শিবিরের।
তৃণমূলের লেখা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি দ্বারা সুবিধা বা অসুবিধা দেওয়া রীতিমতো আইন বিরুদ্ধ। শুক্রবার দিনভর রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়ি, নির্বাচনী কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে হেনস্থা করার অভিযোগ। ভোটের মুখে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে কেন জনপ্রতিনিধিকে ১৫ ঘণ্টা তাঁর বাড়িতে আটকে রাখা হল? বেআইনিভাবে তল্লাশি চালানোর অভিযোগে এবার কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। আয়কর দপ্তরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে নির্বাচনে কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্পত্তির হলফনামা জানিয়েই নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পেশ করেন প্রার্থীরা। দেবাশিস কুমারও তাঁর ব্যতিক্রম নন। তাহলে ভোটের মুখে কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হল যে, এমন তড়িঘড়ি তল্লাশিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হল আয়কর দপ্তরকে? চিঠিতে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করে কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানায় তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতির জয়প্রকাশ মজুমদারের বক্তব্য, “ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের হেনস্তা করাই একমাত্র লক্ষ্য। গতবারও ভোটের আগে গোটা বাংলা এমন ঘটনার সাক্ষী ছিল। এবারও কেন্দ্রীয় এজেন্সি কাজে লাগিয়ে ভোটের আগে মনোবল ভাঙার চেষ্টা হচ্ছে। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে আগেও সরব হয়েছি, ভবিষ্য়তেও প্রতিবাদ করব।”