• ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহস দেখাতে পারেননি, আমি...’, নন্দীগ্রামে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর
    এই সময় | ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • গত বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলেন। তাই এ বার আর তৃণমূল নেত্রী তাঁর বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়ানোর সাহস দেখাতে পারেননি। সেই কারণে তিনি নিজেই চলে গিয়েছেন ভবানীপুরে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে সেখানেও তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে হারাবেন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘গতবার ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলাম। তার পর গত পাঁচ বছরে উনি (মমতা) অনেক কথাই বলেছেন। কিন্তু এ বার সাহস দেখাতে পারলেন না। কিন্তু আমি সাহস দেখিয়েছি। মোদীজি বললেন, ভবানীপুরে প্রার্থী হতে হবে। আমিও চলে গিয়েছি। এ বার ওখানেও হারাব।’

    শুভেন্দুর এই মন্তব্য নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছে শাসকদল। তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজিতকুমার রায় বলেন, ‘উনি (শুভেন্দু) দু’জায়গায় দাঁড়িয়ে হতাশায় ভুগছেন। তাই জন্য নন্দীগ্রামের বুকে দাঁড়িয়ে এই ধরনের মন্তব্য করে যাচ্ছেন। এই মন্তব্যে নন্দীগ্রামের মানুষ কর্ণপাত করবে না। নন্দীগ্রামের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার স্বাস্থ্য শিবির, দুয়ারে সরকার করে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে চলেছেন। সেই জন্য নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দু’জায়গাতেই উনি পরাজিত হবেন।’

    প্রসঙ্গত, গতবার নন্দীগ্রামে ভোটগণনার সময় লোডশেডিং করিয়ে কারচুপি হয়েছিল বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশনও দায়ের করেন মমতা। তা এখনও আদালতে বিচারাধীন। এ বার নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শুভেন্দুর এককালের ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে। শুভেন্দু বলেন, ‘গতবার নন্দীগ্রামে মালিককে হারিয়েছিলাম। এ বার কর্মচারী দাঁড়িয়েছে!’ রবিবার নন্দীগ্রামে সভা করার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    শনিবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রামে একাধিক কর্মসূচি ছিল শুভেন্দুর। প্রথমে তিনি আমদাবাদের সুবদী মঙ্গেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে সভা করেন। সেখানে তিনি বলেন, আমাকে গোটা রাজ্য ঘুরতে হচ্ছে। তাই বেশি সময় দিতে পারছি না। তবে আপনাদের উপর ভরসা আছে। ভোটে জেতার পর নন্দীগ্রামে রেললাইনের কাজ সম্পন্ন করে রেলে চড়ানোর দায়িত্ব আমার। রেললাইনের জন্য ভূমিদাতাদের প্রায় এক হাজার জন চাকরি পেয়েছেন। এখনও প্রায় ৪০০ জন চাকরি পায়নি। জেতার পর তাঁদের চাকরির ব্যবস্থা আমি করব।’

  • Link to this news (এই সময়)