কলকাতার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি আবাসন কর্তৃপক্ষ থানায় জানিয়েছেন, বাইরের কেউ আচমকা আবাসনে ঢুকে যেতে পারেন না। কিন্তু মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী তাঁদের আবাসনের নিয়ম ভেঙেছেন। কারও অনুমতি না নিয়েই ভোট প্রচার করতে আবাসনে ঢুকে পড়েছেন তিনি। নিরাপত্তারক্ষ্মীদের বাধা উপেক্ষা করেই তিনি আবাসনে ঢুকেছেন বলে অভিযোগ। আরও একটি আবাসন কর্তৃপক্ষের দাবি, আবাসনে ঢুকে প্রচারে বাধা দিলে যে ভাষায় তিনি কথা বলেছেন, তা একজন জনপ্রতিনিধির থেকে কাম্য নয়। জোর করে আবাসনে ঢুকে ভোটপ্রচার ও শাসানি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে তাপস রায়ের বিরুদ্ধে। তাপস রায়ের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ওই দুই আবাসনের বাসিন্দাদের তরফে।
ছাব্বিশের নির্বাচনী (Bengal Election 2026) প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের মন পেতে প্রার্থীরা সাংসারিক কাজকর্ম সামলে দিয়েছেন। শুরু থেকে এমনই ছবি দেখতে অভ্যস্ত ছিল জনতা। কিন্তু উত্তর কলকাতার মানিকতলায় উলটপুরাণ। ভোটারদের মন জোগানো তো দূর, উলটে তাঁদের চটিয়ে দিলেন খোদ প্রার্থীই। ভোটের আগেই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের বিরুদ্ধে থানার দ্বারস্থ হলেন তাঁরই বিধানসভার কেন্দ্রের ভোটাররা। সূত্রের খবর, মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের কানেও গেছে বিষয়টি। যদিও এবিষয়ে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। উল্লেখ্য, ৪ তারিখের ফল কী হবে, তো ভোটবাক্স খোলার পর মিলবে। কিন্তু তার আগে মানিকতলার হাওয়া গেরুয়াশিবিরের প্রতিকূলে বইছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।