এই সময়: কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের যথাযথ যুক্তি ছাড়া ভোটের ডিউটি দেওয়া যাবে না—সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গেল নির্বাচন কমিশন। শনিবার কমিশনের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। কমিশনের যুক্তি, যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁদের কোন পদে ডিউটি দেওয়া হচ্ছে, তা এখনও জানানো হয়নি। তাই কীসের ভিত্তিতে তাঁরা ধরে নিচ্ছেন, তাঁদের বেতন ও পদ বিবেচনা না করেই ভোটের ডিউটি দেওয়া হচ্ছে। কাল, সোমবার সকালেই ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ওই দিনই মামলার শুনানির জন্য আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।
এ নিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (ওয়েবকুটা) বিবৃতিতে জানানো হয়েছে—গত একমাস ধরে নির্বাচন কমিশনের জন্য অধ্যাপকরা, আতঙ্কিত এবং বিভ্রান্ত। কমিশন নিজস্ব ঘোষণার বিরোধিতা করে নজিরবিহীন ভাবে কলেজের শিক্ষক–শিক্ষিকাদের পদমর্যাদার সঙ্গে সাযুজ্যহীন ডিউটির ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। ডিউটি না দেওয়ার চিঠি দেওয়ার পরও শো–কজ় নোটিস পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে আইনজীবীদের পরামর্শও নিচ্ছে ওয়েবকুটা।
এ দিকে ‘সার’–এর আবহে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ‘সার’ সংক্রান্ত মামলা হাতে নেওয়ার পরে দেওয়া রায়ে স্পষ্ট করে দেয়, কোনও হাইকোর্ট এই সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। হাইকোর্টে দায়ের হওয়া ওই জনস্বার্থ মামলায় দাবি করা হয়েছে, সংবিধানে হাইকোর্টের মামলা গ্রহণের নিজস্ব ক্ষমতা রয়েছে। সেই ক্ষমতা অনুযায়ী কেন হাইকোর্ট মামলা গ্রহণ করতে পারবে না? কাল, সোমবার মামলাটির শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।