• ‘পদ্মকাঁটা’ কতটা ভয়ানক, বোঝাতে আসছেন বিজেপি শাসিত রাজ্যের সিপিএম বিধায়করা
    বর্তমান | ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • সোহম কর, কলকাতা: যে কোনও মূল্যে বিজেপিতে চলে যাওয়া ভোট ফিরিয়ে আনতে হবে নিজেদের কাছে। এই চেষ্টায় কার্যত মরিয়া বঙ্গ সিপিএম। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু শুক্রবার যাদবপুরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘মহাশূন্যে আর থাকবে না বামেরা। তৃণমূল-বিজেপি বাইনারি একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে তা নয়। কিন্তু নেড়া বেলতলায় একবারই যায়। আমরা মানুষকে বুঝিয়ে চলেছি।’ 

    সেই বোঝানোর কাজ দ্রুত করতে এবার ভোট প্রচারে বাংলায় পা রাখছেন বিজেপি শাসিত রাজ্যের সিপিএমের বিধায়করা। আজ, রবিবার যাদবপুরে সভা করবেন ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা এবং সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য জিতেন্দ্র চৌধুরী। এছাড়া মঙ্গলবার ভবানীপুরে সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাসের সমর্থনে সভা করবেন বিহারে সিপিএমের একমাত্র বিধায়ক অজয় কুমার।

    সিপিএম নেতৃত্বের বক্তব্য, বাংলার মানুষ এখনও জানেন না বিজেপি কতখানি ভয়ঙ্কর হতে পারে। কারণ বিজেপিকে সামনাসামনি বিরোধিতা করার মতো অভিজ্ঞতা বঙ্গ সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের নেই। সে কারণে বহু সিপিএম কর্মী এবং সমর্থককে বলতে শোনা যায়, তৃণমূলকে সরাতে বিজেপিকে ভোট দেওয়াই যায়। এমন ধারনা রোধ করার জন্যই বিজেপিশাসিত রাজ্যের নেতাদের নিয়ে এসে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শোনাতে চাইছে আলিমুদ্দিন। এক রাজ্যনেতার কথায়, যাদবপুরে জিতেন্দ্র চৌধুরী একাধিক জনসভা করবেন। পাশাপাশি একটি মহামিছিলে সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, বৃন্দা কারাতের যোগ দেওয়ার কথা আছে। রাজস্থানের সিকারের সাংসদ অমরা রামকেও নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণে সমস্যা হচ্ছে। কলকাতা জেলার এক নেতার কথায়, ভবানীপুরে বিহারের বিধায়ককে নিয়ে আসা হচ্ছে। তার কারণ, এখানকার মানুষকে বিজেপির ভয়াবহ চরিত্র বোঝানো। বিহারে কীভাবে এসআইআর করে ভোট চুরি করা হয়েছে, সেই বিষয়টিও বোঝানো। তাছাড়া ভবানীপুরে হিন্দিভাষীদের একটি অংশ আমাদের থেকে সরে গিয়েছেন। তাঁদের যাতে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেটাও চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত ভবানীপুরে বিজেপিকে রোখার জন্য ভোটের আগে বামেরা জ্যোতি বসুর ‘বিজেপি অসভ্য, বর্বর দল’ উক্তিটি প্রচার করেছিল। 
  • Link to this news (বর্তমান)