ভোটগ্রহণের আগেই থানায় গিয়ে ‘দুষ্কৃতী’দের আত্মসমর্পণ করতে বললেন নরেন্দ্র মোদী। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার সভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, আত্মসমর্পণ না করলে, ৪ মে-র পর ‘কেউ বাঁচতে পারবেন না’!
প্রায় প্রতিনি নির্বাচনী প্রচারেই সিন্ডিকেটরাজ, মাফিয়ারাজের অভিযোগ তুলে তৃণমূলকে আক্রমণ করে চলেছেন মোদী। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর সঙ্গে ‘সবকা হিসাব’-ও হবে। ভোটের মুখে সেই সুর আরও চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, ‘‘বাংলার বাঘ কে? বাংলার জনতা হলো বাঘ। এই জনতা ফুঁসছে, আর সহ্য করবে না। নির্মম সরকার হঠাতে তারা বদ্ধপরিকর। এখন বদল চাই। সব সিন্ডিকেট, গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। খুব ভালো হয়, যদি ২৩ তারিখের আগে করেন। কারণ, ৪ মের পরে কেউ বাঁচবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া, কয়লা পাচারকারী, সিন্ডিকেট কান খুলে শুনুন, এ সব চলবে না।’
বাঁকুড়ার পর পুরুলিয়ার সভা থেকেও ‘সিন্ডিকেটরাজ’ নিয়ে সরব হন মোদী। বলেন, ‘সিন্ডিকেট, গুন্ডারা কত কিছু দখল করে রেখেছে! বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই সব মুক্ত করব। সব ক’টা খুঁজে বার করব।’
মোদীর দাবি, আগামী ৪ মে তৃণমূল যে হারতে চলেছে, ওই দলের নেতারাও জানেন। তা তাঁদের কথাতেই বোঝা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূলের ভয়ের কাল চলে যাচ্ছে। বিজেপির ভরসার শাসন আসছে। সঙ্গীরা, ৪ মে যে ফল হবে, তার ঝলক তৃণমূলের বড় নেতাদের কথাবার্তায় স্পষ্ট। কলকাতার বড় নেতাদের গুন্ডামির ভাষা, কান্নাকানি— সব শূন্য। এই হুমকির নেপথ্যে রয়েছে ভয়। যারা ভয় দেখাত, তারা এখন ভীত।’