• তৃণমূল বাংলার বোনদের আরও এক বার ধোকা দিয়েছে: মোদি
    আজকাল | ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার বিষ্ণুপুরের নির্বাচনী মঞ্চ থেকে ফের একবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা দেখলেন, সংসদে কী হল? তৃণমূল বাংলার বোনদের আরও এক বার ধোকা দিয়েছে। ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ যাতে পান, মোদি সুনিশ্চিত করেন। ২০২৯ থেকে তা যাতে কার্যকর হয়, সেই চেষ্টাও মোদি করেন। তৃণমূল চায়নি যে বাংলার মহিলারা বেশি সংখ্যা বিধায়ক, সাংসদ হোক। কারণ মহিলারা তাদের জঙ্গলরাজকে চ্যালেঞ্জ করছে। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করেছে। ৩৭ শতাংশ সংরক্ষণ করতে দিল না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সব সিন্ডিকেট, গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। ২৩ তারিখের আগে করুন। কারণ, ৪ মের পরে কেউ বাঁচবে না। তৃণমূলের ভয়ের কাল চলে যাচ্ছে। বিজেপির ভরসার শাসন আসছে। সঙ্গীরা, ৪ মে যে ফল হবে, তার ঝলক তৃণমূলের বড় নেতাদের কথাবার্তায় স্পষ্ট। কলকাতার বড় নেতাদের গুন্ডামির ভাষা, কান্নাকানি— সব শূন্য। এই হুমকির নেপথ্যে রয়েছে ভয়। যারা ভয় দেখাত, তারা এখন ভীত।’

    বাঁকুড়ার কৃষি-শিল্পের কথা শোনা গেল মোদির মুখে। তিনি বলেন, ‘আলুচাষিরা এখানে বঞ্চিত। যত দিন সিন্ডিকেট জারি থাকবে, শিল্পের বিস্তার হবে না। কমল ফুল ফোটান, এই সিন্ডিকেটের স্থায়ী অস্ত্রোপচার করে দেবে বিজেপি। সময়ে ভাতা দেবে, নিয়োগ করবে। মোদীর গ্যারান্টি। এখানকার বালুচরী শাড়িও বাঁকুড়ার পরিচয়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক জেলা এক পণ্য প্রকল্পের লাভ মিলবে। তৃণমূল জনজাতিদের জন্যও কিছু করে না। বিরসা মুন্ডার নামে যোজনা করেছি আমরা। তৃণমূলের সিন্ডিকেট কাজ করতে দেয় না। ওড়িশায় জনজাতির জন্য ৩০ হাজার ঘর হয়েছে। বাংলায় হয়নি, কারণ এখানে জনজাতি-বিরোধী নির্মম সরকার রয়েছে— তৃণমূল সরকার।’

     
  • Link to this news (আজকাল)