ভোটের প্রচারে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে কড়া কমিশন। সমাজ মাধ্যমের অপব্যবহার রুখতে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে,তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও আদর্শ আচরণবিধি মেনে চলতে হবে সব রাজনৈতিক দলকেই। সমাজমাধ্যমে কোনও বিভ্রান্তিমূলক বা বেআইনি কন্টেন্ট নজরে এলে, সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
দেওয়াল লিখনের ট্রেন্ড ধীরে ধীরে ফিকে হচ্ছে। বর্তমানে ভোটের প্রচারে বড় হাতিয়ার গণমাধ্যম। সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সব রাজনৈতিক দলের তরফেই চলছে জোরকদমে প্রচার। তবে সোশাল মিডিয়ার ব্যবহারে রাশ টানতে এবার নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় কনটেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং আদর্শ আচরণবিধি মেনে চলতে হবে সমস্ত পক্ষকেই। কোনও ভিডিও বা কন্টেন্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হলেই, কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মকে তা সরিয়ে ফেলতে হবে ৩ ঘণ্টার মধ্যে। কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী যদি প্রচারের কাজে কৃত্রিম ভাবে তৈরি কোনও ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন, তবে সেখানে স্পষ্ট করে ‘এআই জেনারেটেড’ বা ‘কৃত্রিম বিষয়বস্তু’ লিখে দিতে হবে।
কমিশনের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজারেরও বেশি বেআইনি পোস্ট চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। তার সঙ্গে কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের আগের ৪৮ ঘণ্টা টিভি, রেডিও বা সমাজ মাধ্যমে কোনওরকম প্রচার চালানো যাবে না।