• ‘ঝালমুড়ি খিলাও’, ঝাড়গ্রামের দোকানে গিয়ে বললেন মোদী, ‘পেঁয়াজ দেবো?’ শুনেই প্রধানমন্ত্রীর জবাব...
    এই সময় | ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • বুদ্ধদেব বেরা

    ভোট প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি খেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি গুমটি দোকান। দোকানের সামনে ঝুলছে চাল ভাজা, চিড়ে ভাজা, মুড়ি, বাদাম-সহ নানা ভাজাভুজির প্যাকেট। রবিবার সেই দোকানে দাঁড়িয়েই আরাম করে ঝালমুড়ি খেতে দেখা গেল দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেলা সফরে গিয়ে প্রায়ই এই ধরনের জনসংযোগে দেখা যায়। তা উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি মোমোর দোকান হোক কিংবা দক্ষিণবঙ্গের চা কিংবা চপের দোকান। ভোটের বঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও দেখা গেল সহজ-জনসংযোগে।

    রবিবার ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সভা শেষে গাড়িতে হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার সময়ে ঝাড়গ্রাম শহরের কলেজ মোড়ে গাড়ি দাঁড় করান তিনি। গাড়ি থেকে নেমে সোজা ঢুকে পড়েন বিক্রমকুমার সাউয়ের ঝালমুড়ির দোকানে।

    চোখের সামনে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে বিক্রম তো হতবাক। ততক্ষণে ক্যামেরা নিয়ে ছুটে এসেছেন আশেপাশের লোকজন। ভিড় করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। রাস্তার ধারে থাকা মেয়ে-বৌরাও ছুটে আসেন। দোকানে ঢুকতে ঢুকতেই বলেন, ‘ভাই হামে আপনা ঝালমুড়ি খিলাও। কিতনে কা হোতা হ্যয় ঝালমুড়ি?’ কত দাম জানতে চান।

    এর পরে কোটের পকেট থেকে ১০ টাকা বের করে দেন মোদী। সে টাকা নিতে চাননি বিক্রম। প্রধানমন্ত্রীও নাছোড়। বিক্রম জানতে চান, পেঁয়াজ দেবেন কি না মুড়িতে। যা শুনে মোদীর সরস জবাব, ‘হ্যাঁ পেঁয়াজ খাই। ডিমাগ নেহি খাতে হ্যয় বস।’ বাংলায় যার তর্জমা করলে দাঁড়ায়, মাথা খাই না শুধু।

    চোখে মুখে খুশির ঝলক বিক্রমের। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসে আমার নাম জানতে চাইলেন। এর পরেই বলেন একটা মশলামুড়ি বানাও। খেলেনও। মুড়ি খুব ভালো লেগেছে তাঁর। বাচ্চাদেরও খাওয়ালেন। আমার বাবা, মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করলেন। এই ঝালমুড়ি বিক্রি করে মাসে কেমন কত রোজগার হয়, তা-ও জানতে চাইলেন।’

    মুড়ি খেয়ে মোদীর কনভয় বেরিয়ে যেতেই বিক্রমের দোকানে মানুষের ভিড়। প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়ে গিয়েছেন বলে কথা। এ বার থেকে বিক্রম তো ভিভিআইপি। এলাকার পদ্ম-নেতারাও ভিড় করছেন তাঁর দোকানে।

  • Link to this news (এই সময়)