• ‘দিদি-ও দিদি’র মতো কুমন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান মোদি: কংগ্রেস
    বর্তমান | ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিজেপির প্রচার, কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি মহিলা বিরোধী। তাই পালটা দিতে আরও সমন্বয় বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। কলকাতা, দিল্লি, লখনউ রবিবার তিন দলের পক্ষে হয়েছে বিশেষ সাংবাদিক সম্মেলন। আগামী দিনেও ভোট না মেটা পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়া হবে বলেই ঠিক হয়েছে। বিরোধীরাদের দাবি, মহিলা সংরক্ষণকে মুখোশ করে বিজেপি যে ইচ্ছামতো ডিলিমিটেশন বিল পাশ করানোর ষড়যন্ত্র করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই বিরোধীরা ঠিক করেছে, যে মোদি নিজেকে মহিলাদের মসিহা সাজতে চাইছেন, তিনি কতটা মহিলা বিরোধী সেটাই তুলে ধরা হবে। 

    সেই মতো রবিবার দলের সদর দপ্তরেসাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেতের সওয়াল, নিজেকে মহিলাদের প্রতি সমব্যথী বলে কেন কুম্ভীরাশ্রু ঝরাচ্ছেন মোদিজি? পশ্চিমবঙ্গে গতবার ভোটের সময় গিয়ে ‘দিদি ও দিদি’র মতো অশালীন সুরে ব্যঙ্গ করেছিল কে? আপনি নরেন্দ্র মোদি। ওই কুৎসিত মানসিকতার জন্য আগে ক্ষমা চান। মণিপুরে রাস্তায় উলঙ্গ করে মহিলাদের ঘোরানোর ঘটনা জেনেও কেন চুপ ছিলেন? কেন হাতরাস, উন্নাওয়ের ঘটনায় মন কাঁদেনি। এখন মহিলা সংরক্ষণের মিথ্যে প্রচারে কুমিরের কান্না কি আপনাকে মানায়?

    বলেছেন, আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনে বিজেপি নেতানেত্রীরা ঘরে ঘরে মহিলাদের কাছে যান। গেলে ঠেলা বুঝতে পারবেন। রান্নার গ্যাসের অভাব থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধিতে গৃহিণীদের কী নাজেহাল অবস্থা। তাঁদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে তো বিজেপি? নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে সুপ্রিয়া আরও বলেন, এতই যদি মহিলাদের জন্য ভাবনা, তাহলে সংসদে বিজেপির মহিলা সাংসদের হার কেন মাত্র ১২.৯ শতাংশ। যেখানে লোকসভায় মহিলা প্রতিনিধিত্বের গড় ১৩.৬? কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ৭২ জন মন্ত্রীর মধ্যে কেন মাত্র সাতজন মহিলা? 

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক প্রচারের জন্য দূরদর্শনকে ব্যবহার করে নির্বাচনে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম ও সিপিআই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে এই মর্মে চিঠিও দিয়েছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি ও সিপিআইয়ের রাজ্যসভার সাংসদ পি সান্দশ কুমার। কমিশনের কাছে দুই বামনেতার আর্জি এই বিষয়ে যেন দ্রুত তদন্ত শুরু হয়।
  • Link to this news (বর্তমান)