নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে ভারতের দূত (হাইকমিশনার) করে দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে মোদি সরকার। বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে রয়েছেন ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের প্রণয় বর্মা। ২০২২ সাল থেকে তিনি সেখানে রয়েছেন। এখন তাঁকে বেলজিয়ামে পাঠানো হতে পারে বলেই খবর। সেই জায়গায় যাচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদি। জন্মসূত্রে গুজরাতি হলেও কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে কমার্সে স্নাতক। তার পর টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ। আশির দশকে রাজনীতিতে যোগ। জনতা দলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন ১৯৯০-’৯৬। পরে তৃণমূলে যোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে দিল্লিতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করতেন তিনি। তৃণমূলের প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন। ২০০২-’০৮ পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ। ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে জিতে কেন্দ্রে প্রথমে স্বাস্থ্য রাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেড়ে যাওয়া আসনে রেলমন্ত্রী। কিন্তু ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবে তৃণমূলনেত্রী ক্ষুব্ধ হওয়ায় রেলমন্ত্রীর পদ খোয়ান। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকায় ২০২১ সালে ৬ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন তিনি।
বর্তমানে সংসদের ডিজিটাল লাইব্রেরির চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তবে এবার কূটনৈতিক পদে বসতে চলেছেন। ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাতির পাশাপাশি ঝরঝরে বাংলাও জানেন দীনেশ ত্রিবেদী। নতুন দায়িত্বের ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য জানতে চাইলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির হয়ে নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত দীনেশবাবু রবিবার টেলিফোনে বলেন, আমার প্রতি মোদি সরকার যে ভরসা করছেন, সেটাই বড় পুরস্কার। আশাকরি ভারত-বাংলাদেশ দু’ দেশের সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক করার কাজে কাঠবেড়ালির ভূমিকা নিতে পারব।