• দেশে নেটমাধ্যমে ভোট সংক্রান্ত ১১ হাজারেরও বেশি বিভ্রান্তিকর পোস্ট!, ফের কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কমিশনের
    বর্তমান | ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোট ঘোষণার পরপরই সমাজমাধ্যমে পোস্টের উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছিল কমিশন। সেইমতো নজরদারি চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত ১১ হাজারেরও বেশি পোস্টকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। রবিবার এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি করেছে। পাশাপাশি নতুন করে ফের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের বিধি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কোনো ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সমাজমাধ্যম এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নৈতিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। না হলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং‌ আদর্শ আচরণবিধি অনুসারে পদক্ষেপ করা হবে। কোনো বিভ্রান্তিকর, বেআইনি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি পোস্টের বিরুদ্ধে তিন ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করা হবে। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘কোনো এআই নির্মিত জিনিস প্রচারে ব্যবহার করা হলে তার গায়ে ‘এআই নির্মিত’ বলে উল্লেখ করতে হবে।’ ভোটারদের বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে বলেছে কমিশন।

    তারা আরও জানিয়েছে, কোনো পোস্টে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ হচ্ছে কি না, আইনশৃঙ্খলার অবনতির সম্ভাবনা রয়েছে কি না, ভুয়ো তথ্য দেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত ১৫ মার্চ ভোট ঘোষণার পর এমন ১১ হাজারের বেশি পোস্ট সমাজমাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। অনেক পোস্ট সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী কোনো কোনো পোস্টের বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হয়েছে । জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি এলাকায় ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট সংক্রান্ত কিছু প্রদর্শন করা যায় না। সমাজমাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যমকে তা মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। বিবৃতি অনুযায়ী, যে কোনো নাগরিক, কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ জানাতে পারেন। ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালে মোট ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯টি অভিযোগ কমিশনের ওই ওয়েবসাইটে জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৯৬.০১ শতাংশ অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১০০ মিনিটের মধ্যে।
  • Link to this news (বর্তমান)