• জয় কামাদার ফোন ঘাঁটতেই তদন্তে নয়া মোড়
    আজকাল | ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: জমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে বেহালার বাড়ি থেকে রবিবার সকালে ব্যবসায়ী জয় কামদারকে শুরুতে আটক করে ইডি। তারপর চলে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ। শেষে ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে জয় কামদার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখছেন ইডি-র গোয়েন্দারা। তাতেই জয় কামদার জালিয়াতি ও প্রতারণার খোঁজ ক্রমশ আরও স্পষ্ট হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে দাবি। যোগ মিলেছে সোনা পাপ্পুরর সঙ্গে কামদার ঘনিষ্ঠতারও। 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার জয় কামদার দু'টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই ফোন দু'টি ফরেন্সিকে পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ওই ব্যবসায়ীর ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট উদ্ধার করেছে ইডি গোয়েন্দারা। তাতেই মিলেছে, একাধিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য। গত কয়েকদিনে হোয়াটসঅ্যাপ বেশ কিছু ম্যাসেজ ডিলিট করা হয়েছে বলেও দাবি গোয়েন্দাদের। সেই সমস্ত তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে। একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির তথ্য পেতেই ফরেন্সিকে পাঠানো হচ্ছে কামদার দু'টি ফোন। 

    ইডি গোয়েন্দাদের দাবি, জয় এস কামদার ও সোনা পাপ্পুর মধ্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

    ইডি আজালতে জানিয়েছে যে, গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটি একটি ভুয়ো সংস্থা। এর মাধ্যমেই জয় কামদার  ৪০ কোটি টাকা ট্রান্সফার করেছে। এছাড়াও রয়েছে, চিরাগ এন্টারপ্রাইজ নামের আরেকটি ভুয়ো সংস্থা। যার মাধ্যমে ১১০০ কোটি  টাকার লেনদেন হয়েছে। কামদারের ডিজিটাল ডিভাইস যাচাই করে ইডি গোয়েন্দারা এসব তথ্য পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। 

    বেশ কিছুদিন আগে প্রোমোটার জয় কামদার বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই অভিযানে বিপুল নগদ উদ্ধার হয়। এদিকে অতি সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র  বাড়িতেও তল্লাশি চালি ইডি গোয়েন্দারা। মেলে আর্থিক লেনদেনের হদিশ। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই ফের সামনে চলে আসে জয় কামদার নাম।

    এদিকে সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরেই রবিবার কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। জানা গিয়েছে, সোমবার ওই পুলিশ কর্তাকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে ইডি। তাঁর দুই পুত্রকেও তলব করা হয়েছে।

     
  • Link to this news (আজকাল)