মঙ্গলবারই উদ্বোধন করার কথা ছিল মোদির, রাজস্থানের সেই শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড!
প্রতিদিন | ২০ এপ্রিল ২০২৬
২১ মার্চ উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার ঠিক আগেই ভয়াবহু অগ্নিকাণ্ড রাজস্থানের শোধনাগারে। আগুন লাগার খবর পাওয়া মাত্রই প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং শোধনাগার কর্তৃপক্ষের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গিয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শোধনাগারের একটি ইউনিটে আগুন লাগে। এই ঘটনায় চত্বরের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর ধোঁয়া ও আগুনের শিখা প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল। আগুনের তীব্রতার কারণে আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী থেকে স্পষ্ট আগুন কত ব্যাপক ভাবে ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানের জন্য কারিগরি দল ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনাস্থলে রয়েছে। দমকলের ২০টিরও বেশি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং আগুন যাতে অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
পাচপাদ্রার ওই শোধনাগার থেকে পুরু কালো ধোঁয়া বেরতে দেখা গিয়েছে। এটাই দেশের প্রথম সংশোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স। রাজস্থান সরকার ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের যুগ্ম প্রয়াসে যা নির্মিত হয়েছে। বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে ‘আত্মনির্ভরতা’র পথে হাঁটতেই এই শোধনাগার তৈরি করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সোনিয়া গান্ধী। সেই সময় এর নির্মাণ খরচ ধরা হয় ৩৭ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন করে প্রকল্পটি শুরু করেন ২০১৮ সালে। সেই সময় মোট খরচ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ১২৯ কোটি টাকা।