‘অধীর-গড়ে’ ভোট দিতে পারলেন না ভোটকর্মীরাই, কমিশনে চরম ক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থী
প্রতিদিন | ২০ এপ্রিল ২০২৬
ফের ভোটকর্মীদের ভোট (West Bengal Assembly Election) দিতে না পারার ছবি প্রকাশ্যে এল। এবার ঘটনাস্থল বহরমপুর। এর আগে প্রশিক্ষণের সময় তাঁদের ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও সেদিন ভোট নেওয়া যায়নি। এরপর আজ সোমবার ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েও ভোট দিতে পারেননি ভোটকর্মীরা। উলটে হয়রানির শিকার হন। সেই কারণে জেলাশাসকের দপ্তর খুলতেই অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান ভোটকর্মীদের একাংশ। এই নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বহরমপুরের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র বলেন, ভোটকর্মীরাই ভোট দিতে না পারলে কীসের নির্বাচন কমিশন?
জানা গিয়েছে, চারদিন আগে বহরমপুরের এই ভোটকর্মীদের দ্বিতীয় দফার প্রশিক্ষণ ছিল। প্রশিক্ষণের পরেই তাঁদের ভোট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। এরপর ভোট (West Bengal Assembly Election) দেওয়ার জন্য লাগাতার চারদিন ঘুরেছেন তাঁরা। আজ সকালেও কৃষ্ণনাথ কলেজিয়েট স্কুলে ভোটদানের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ভোটকর্মীরা। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তাঁরা জানতে পারেন ব্যালট ভোট নিজের নিজের মহকুমায় গিয়ে দিতে হবে। এরপরই ভোটকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর প্রতিবাদে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, পূর্বের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাঁরা ভোট দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চারদিন ধরে ভোট দেওয়ার জন্য হয়রানির শিকার হওয়ার পর তাঁরা জানতে পারেন, নিজেদের মহকুমায় গিয়ে ভোট দিতে হবে। জেলাশাসকের অফিসে বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বহরমপুরের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচনে যদি ভোটকর্মীরাই অংশ নিতে না পারে তাহলে এই ভোটের মূল্য কী? তাহলে কীসের নির্বাচন কমিশন?”
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও তাঁদের ভোটদান নিয়ে অব্যবস্থার অভিযোগে মুর্শিদাবাদের লালবাগে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এই নিয়ে ব্যাপাক উত্তেজনা ছড়ায়। গতকাল আমতা বিধানসভার কয়েকজন ভোটকর্মীর পোস্টাল ব্যালট না আসায় তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। ভোট দিতে না পেরে পথ অবরোধ করেন তাঁরা।