ঠাকুরনগর এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছিল বছর ১৫-এর নবম শ্রেণির ছাত্রী। নাবালিকার সম্পর্কে মামা হন আরজি কর আন্দোলনের প্রতিবাদী মুখ এবং পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী অর্থাৎ আরজি করের নির্যাতিতার মায়ের প্রচারসঙ্গী। তিনি নাবালিকা নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছিলেন। নিখোঁজের অভিযোগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই নাবালিকাকে উদ্ধার করল পুলিশ। এই ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা যায়, চলতি মাসের ১৬ তারিখ নাবালিকা নিখোঁজ হন। ঘটনার দিন গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করে নিখোঁজ নাবালিকার পরিবারের তরফ থেকে। পরবর্তীতে নিখোঁজ নাবালিকার মামা পেশায় চিকিৎসক, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমি আরজিকরে কর্মরত, অভয়ার ঘটনার সময় প্রতিবাদী মুখ ছিলাম। বর্তমানে আমি বিজেপির হয়ে অভয়ার মা-র সঙ্গে প্রচারে রয়েছি। সেই কারণে আমার ভাগ্নি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারে। জানানোর পরেও পুলিশ এলাকার সিসিটিভি চেক করছে না, বা কোনরকম পদক্ষেপ করছে না।’
সোমবার সকালে গাইঘাটা থানার পক্ষ থেকে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন বনগাঁ পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত। তিনি জানান, অভিযোগ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রবিবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর কুশটিকরী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে। পাশাপাশি সুভাষ দলুই নামে ২৪ বছরের এক যুবককে কেশপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্তের নির্দেশে তদন্তে নেমে পড়েন এলএসআই প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল।
তিনি জানান, নাবালিকা সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয় এবং সেখান থেকেই সম্পর্কে জড়িয়ে যায় দু’জনে। পরবর্তীতে পুলিশ নাবালিকাকে উদ্ধার করে সিডব্লিউসি-র মাধ্যমে চাইল্ড লাইনের মাধ্যমে পাঠায় এবং অভিযুক্ত যুবককে সোমবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।