উত্তরে ভোট উৎসবেও স্বস্তি নেই। প্রচার পর্ব একদম শেষের পথে। এবার ভোটকর্মীদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছতে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা। কারণ, উত্তরের আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। আবহাওয়ার খামখেয়ালি চলতে পারে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ওই পরিস্থিতিতে দুর্গম এলাকায় কীভাবে ভোটকর্মীরা যাবেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার ডুয়ার্সের বক্সা পাহাড় এবং দার্জিলিংয়ের শ্রীখোলার মতো দুটো দুর্গম এলাকার ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোটকর্মীরা রওনা হবেন বলে খবর।
কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের সিকিম কেন্দ্রের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, “উত্তরের পাঁচ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ‘হলুদ’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।” আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং জেলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে। ঝড়বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও। তবে বৃহস্পতিবার উত্তরের বাকি জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার আবহাওয়া দপ্তরের ওই রিপোর্ট হাতে মিলতে নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। কারণ, ডুয়ার্সের বক্সা পাহাড় এবং দার্জিলিংয়ের শ্রীখোলার মতো দুটো দুর্গম এলাকার ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মঙ্গলবারেই ভোট কর্মীরা রওনা হবেন। বিশেষত, দার্জিলিং পাহাড়ের প্রায় ৭ হাজার ফুট উঁচু শ্রীখোলা এলাকার ভোটকেন্দ্রটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় স্যাটেলাইট ফোন, আরটিএস সেট ও ভিডিও রেকর্ডিং ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।