• রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর ইডি হেপাজত
    বর্তমান | ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জমি দখলের মামলায় গ্রেপ্তার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদারের সঙ্গে ব্রিটেন, মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ের হাওলা অপারেটদের যোগাযোগ রয়েছে। তাদের সঙ্গে চ্যাট ও কথোপকথনের প্রমাণ মিলেছে ধৃতের মোবাইল ফোন থেকে। জয়ের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে এমনটাই দাবি করেছে ইডি। উভয়পক্ষের সওয়াল শেষে তাঁকে ইডি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। আগামী ২৮ এপ্রিল ফের তাঁকে আদালতে তোলা হবে। 

    এদিকে, কলকাতা পুলিশের এক কর্তা ও তাঁর ছেলেকে সোমবার ইডি অফিসে ডেকে পাঠানো হলেও তাঁরা হাজিরা দেননি বলে খবর। তাছাড়া, রেশনে গম নিয়ে দুর্নীতির মামলায় অভিনেত্রী নুসরত জাহানকে বুধবার তলব করেছে ইডি। রবিবার কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে সকাল ৬টা থেকে রাত ২.৩০টা পর্যন্ত তল্লাশি চালায় ইডি। পাশাপাশি, গ্রেপ্তার করা হয় ব্যবসায়ী জয় কামদারকে। গ্রেপ্তারির পর অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। সোমবার হাসাপাতাল থেকে ছেড়ে দিলে ইডি তাঁকে আদালতে হাজির করে। জয়ের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত ও সুব্রত সর্দার জামিনের আবেদন জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের মক্কেলের সঙ্গে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর লেনদেনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা বেআইনি বলা হয়নি। তাছাড়া, সমস্ত নথি ইডির হেপাজতেই আছে। তাই তথ্যপ্রমাণ বিকৃতির কোনো আশঙ্কা নেই।’ ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘অভিযুক্তের মোবাইলের ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখে দুবাই, মালয়েশিয়া, ব্রিটেনের হাওলা অপারেটদের সঙ্গে চ্যাট ও বিদেশে ফোন করার প্রমাণ মিলেছে। হাওলা নিয়ে কথাবার্তা চলেছে। বিদেশি মুদ্রার ছবিও পাওয়া গিয়েছে। এই ছবি ব্যবহৃত হয় নগদ চিহ্নিতকরণের জন্য।’ একই সঙ্গে ফরোয়ার্ডিং রিপোর্টে ইডি জানিয়েছে, তাঁর ফোনের ‘কল ডিটেইলস’ থেকে দেখা গিয়েছে যে পুলিশে বদলির ক্ষেত্রে তিনি প্রভাব খাটিয়েছেন। সিঁথি থানার এক অতিরিক্ত ওসি পোস্টিং পাওয়ার পর তাঁকে ‘মাই লর্ড’ বলে সম্বোধন করেন! তাঁদের কাজে লাগিয়ে জমি দখল এবং সেই কাজে সোনা পাপ্পুকে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 
  • Link to this news (বর্তমান)