এই সময়: দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ২৩ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফায় যে নির্বাচন হবে সেখানে ১৪৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৩৮ জন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখে এই তথ্য জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ’ এবং ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস।’
আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। দু’দফার ভোটে সারা রাজ্যে মোট ২৯২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যাঁদের মধ্যে ৬৮১ জন কোনও কোনও ফৌজদারি অপরাধে যুক্ত রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা এই কথা কবুল করেই তাঁদের হলফনামা জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ দুই দফার নির্বাচনে শতাংশের হারে এই এই রাজ্যে মোট ৪৬ শতাংশ প্রার্থী সরাাসরি ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।
সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে সোমবার দুপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থার স্টেট কো অর্ডিনেটর উজ্জয়িনী হালিম বলেন,‘ স্বচ্ছ রাজনীতি আর পরিচ্ছন্ন ভোট হওয়ার স্বার্থে আমরা এই কাজ করে থাকি।’
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় ১৬ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে। ৮০ জন প্রার্থী অভিযুক্ত খুনের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলায়। মহিলা নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে ৯৪ জনের বিরুদ্ধে। মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় দফায় বিজেপির ১৪১ জনের মধ্যে ১০২ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার অভিযোগ রয়েছে। অর্থাৎ বিজেপির মোট প্রার্থীর ৭২ শতাংশ অভিযু্ক্ত। তৃণমূলের ১৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার অভিযোগ রয়েছে। শতাংশের হারে যা ৩৫ শতাংশ। সিপিএমের ১০০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫১ জন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।