• প্রসেনজিতের ছবি ঘিরে তরজায় পরিচালক, প্রযোজক
    বর্তমান | ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের নেপথ্যে কী ঘটে? পর্দায় যা দেখা যায়, তার পিছনে লুকিয়ে থাকে কতখানি সত্য? পর্দায় সেই গল্পই তুলে ধরার কথা ছিল। সৌজন্যে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ছবি ‘সাজঘর’। ২০২২ সালে শুরু হয় শ্যুটিং। এবার এই ছবি নিয়েই প্রকাশ্যে তরজায় ছবির পরিচালক অঞ্জন কাঞ্জিলাল ও প্রযোজক সুমন সেনগুপ্ত। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বকেয়া পারিশ্রমিক না মেটানোর অভিযোগ করেছিলেন পরিচালক। অঞ্জন জানিয়েছিলেন, পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও প্রযোজকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এর আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় নিজেই উদ্যোগী হয়েছিলেন। এমনকি, দু’বছর আগে ইম্পার সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর সঙ্গেও আলোচনা হয়। তখন নাকি দু’মাসের মধ্যে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রযোজক। তবে তা এখনো মেটাননি বলে অভিযোগ অঞ্জনের। প্রযোজকের সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি বলে অভিযোগ তাঁর।

    এর একদিন পর সমাজমাধ্যমে মুখ খুললেন প্রযোজক সুমন। সোমবার একটি দীর্ঘ পোস্টে তাঁর স্পষ্ট দাবি, শ্যুটিংয়ের পর শিল্পী ও পরিচালক সহ সব কলাকুশলীদের ৯০ শতাংশ পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে। তহবিলের সীমাবদ্ধতা ও চুক্তির শর্তের জন্য ১০ শতাংশ আটকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও উক্ত পোস্টের মন্তব্য বিভাগে ‘৯০ শতাংশ পারিশ্রমিক মেটানোর’ বিরোধিতা করেছেন বহু শিল্পী ও কলাকুশলী। অঞ্জনের দাবি, ‘প্রথমদিকে সমস্যা ছিল না। শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর প্রযোজক টাকার সমস্যার কথা জানান। আমি যতদূর জানি একজন সিনিয়র টেকনিশিয়ান ছাড়া কেউ পুরো পারিশ্রমিক পাননি। ফলে প্রযোজক সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা বলছেন। আমার পারিশ্রমিকের ৭৫ শতাংশ এখনও বাকি।’

    প্রযোজক ফোনে অধরা। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘যদি কেউ প্রজেক্টটি গ্রহণ করতে চায়, তাহলে আমাদের (এসএসজি ও বিএসপি প্রযোজনা সংস্থা) বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধ করে প্রজেক্টটি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’
  • Link to this news (বর্তমান)