• ভোটের বাকি আর ২৪ ঘণ্টা, ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধিতে কী কী ব্যবস্থা নিল কমিশন?
    এই সময় | ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • এ বার বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে এবং নির্ভয়ে ভোটদানে উৎসাহিত করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন থাকছে বেশকিছু নির্দেশিকা। শেষমেশ অন্য বারের থেকে এ বার ছবিটা বদলাল কি না, বোঝা যাবে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের দিন। কী কী ব্যবস্থা করছে কমিশন, খোঁজ নিল ‘এই সময়’।

    যে এলাকায় ভোট রয়েছে সেখানে ৪৮ ঘণ্টা আগে মোটরবাইক চলাচলের উপরে নিয়ন্ত্রণ। বাইক র‌্যালি বন্ধ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পিলিয়ন রাইডিং (পিছনে আরোহী নেওয়া) নয়।

    ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা শুধুমাত্র ভোটদান বা একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইকে পিলিয়ন রাইডিং বন্ধ।

    চিকিৎসা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো জরুরি ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

    আপনি কাকে ভোট দেবেন, তা সম্পূর্ণ গোপন থাকবে। বুথের ভিতরের ওয়েবক্যাম অথবা আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড নম্বর ব্যবহার করে কোনও অ্যাপ থেকেই তা দেখা যাবে না।

    কেউ কেউ এই ব্যাপারে সাধারণ ভোটারকে বিভ্রান্ত করছে। কমিশনকে জানালে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে কমিশনের টোল ফ্রি নম্বর: ১৮০০–৩৪৫–০০০৮ বা ১৯৫০তে ফোন করুন।

    অসুস্থ, বয়স্ক, বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটারদের বাড়ি থেকে অটো, টোটোয় বুথে এনে ভোটের ব্যবস্থা করবে কমিশন। এর জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

    বুথে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। নিয়ে গেলে বুথের বাইরে বিএলও–র নেতৃত্বে তৈরি সহায়ক কেন্দ্রে তা জমা দিয়ে কুপন নিতে হবে।

    সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র না থাকলে বিকল্প হিসেবে আধার, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভারতের পাসপোর্ট, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবুক (ছবি থাকতে হবে), পেনশনের নথি (ছবি থাকতে হবে), ১০০ দিনের জব কার্ড, শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া হেল্থ কার্ড বা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড, কেন্দ্র, রাজ্য, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির চাকরিজীবীদের সচিত্র পরিচয়পত্র, রেজিস্টার জেনারেল অফ সেন্সাস–এর দেওয়া স্মার্ট কার্ড, কেন্দ্রের দেওয়া বিশেষ ভাবে সক্ষমদের পরিচয়পত্র নিয়ে ভোট দিতে পারবেন

    বুথের বাইরেই থাকবেন বিএলও। তিনি ভোটারকে তালিকার সিরিয়াল নম্বর বলে দেবেন। যা জেনে বুথে প্রবেশ করতে হবে।

    প্রিসাইডিং অফিসাররা ECINET অ্যাপে প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর এবং ভোটগ্রহণ শেষে ভোটদানের হার আপলোড করবেন।

    ভোট শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়। তারপরে গেটে যত জন ভোটার লাইনে থাকবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে তাঁদের হাতে স্লিপ তুলে দেবেন প্রিসাইডিং অফিসার।

  • Link to this news (এই সময়)