• হোটেল ও লজে ‘নিষিদ্ধ’ বহিরাগত, কমিশনের নির্দেশে বিপাকে ট্যুরিস্টরা
    বর্তমান | ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে হোটেল কিংবা লজে বাইরের কাউকে রাখা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের এহেন নির্দেশের জেরে চরম বিপাকে দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সে বেড়াতে আসা পর্যটকরা। শুধু ঘুরতে আসা মানুষজনই নয়, অনেকে কাজের প্রয়োজনেও কলকাতা কিংবা দক্ষিণবঙ্গ থেকে নিয়মিত উত্তরবঙ্গে আসেন। হোটেল কিংবা লজে ওঠেন। তাঁরাও চরম বেকায়দায় পড়েছেন। ভোটের প্রাকমুহূর্তে কমিশনের এহেন নির্দেশ ঘিরে ক্ষুব্ধ উত্তরের পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। তাঁদের বক্তব্য, আগে থেকে এ বিষয়ে কেন জানাল না নির্বাচন কমিশন? এই মুহূর্তে পাহাড়-ডুয়ার্সে যেসব পর্যটক রয়েছেন, তাঁদের কীভাবে হোটেল থেকে বের করে দেব? কোথায় যাবেন তাঁরা? তাছাড়া ব্যবসা কিংবা অন্য কোনো কাজের সুবাদে যাঁরা উত্তরবঙ্গে রয়েছেন, তাঁদেরও যদি হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হয়, তাঁরাই বা কোথায় যাবেন?

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকার জেরে আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। আগে থেকে যদি কমিশন এ ব্যাপারে জানাত, তাহলে সেই মতো আমরা পর্যটকদের গাইড করতে পারতাম। যাঁরা উত্তরবঙ্গে এসে হোটেলে থেকে কাজ সারেন, তাঁরাও সেভাবে প্ল্যানিং করতে পারতেন। এখন আচমকা কমিশনের এই নির্দেশিকার জেরে হোটেলে যেসব পর্যটক রয়েছেন, তাঁদের কীভাবে বের করে দেওয়া সম্ভব? তাছাড়া যাঁরা অনেক টাকাপয়সা খরচ করে ঘুরতে এসেছেন, তাঁদের যদি আচমকা হোটেল ছেড়ে চলে যেতে হয়, সেক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়তে হবে। ফেরার ট্রেনের টিকিট পাবেন কীভাবে তাঁরা? আমরা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখছি।

    শিলিগুড়ির হোটেল মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ  বলেন, এদিন থেকে ভোট গ্রহণের দিন পর্যন্ত হোটেলে কোনো পর্যটকদের রাখা যাবে না বলে পুলিশ থেকে জানানো হয়েছে। অবিলম্বে পর্যটকদের হোটেল ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। এতে ব্যবসার যেমন ক্ষতির মুখে পড়েবে, তেমনই  পর্যটকরাও চরম বেকায়দায় পড়েছেন। এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার আবেদন নির্বাচন কমিশনের কাছে জানিয়েছি। এখনও পর্যন্ত কোনো সাড়া  পাইনি।  ফাইল চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)