সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রচারের ক্ষেত্রে কাকদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় পাড়া বৈঠকে বেশি জোর দিল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিদিন একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ছ’টি পাড়ায় গিয়ে বৈঠক করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মন্টুরাম পাখিরা। সেই তুলনায় তিনি এখনও পর্যন্ত বড়ো কোনো মিটিং বা মিছিল করেননি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তিনদিন পর কাকদ্বীপ বাজারে একবার তিনি মিছিল করেছেন। মাঝেমধ্যে ছোটোখাটো কয়েকটি পথসভা করলেও, বড়ো কোনো জনসভা করেননি। তাঁর বিশ্বাস, তৃণমূল কংগ্রেস সারা বছর মানুষের পাশে থাকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে একই পদ্ধতিতে তিনি প্রচার করেছিলেন। সেই সময় বড়ো সাফল্য মিলেছিল। এবারের নির্বাচনেও একইভাবে সাফল্য মিলবে। মন্টুরাম বলেন, ‘পাড়া বৈঠকের মধ্য দিয়ে সহজে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি পৌঁছন যায়। তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শোনা যায়। বিশ্বাস অর্জন করা যায়। সেই কারণে প্রচারের ক্ষেত্রে বড়ো মিটিং বা মিছিলের থেকে পাড়া বৈঠকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বিধানসভার প্রতিটি বুথে গিয়ে এই বৈঠক করা হচ্ছে।’
অন্যদিকে, কাকদ্বীপ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর জানা প্রচারের সব ক্ষেত্রগুলিতে বিচরণ করছেন। তিনি বড়ো মিছিল, মিটিং, র্যালি ও কর্মী বৈঠক করছেন। এমনকি প্রচারের ক্ষেত্রে বড়ো জনসভাতেও জোর দিয়েছেন। হেভিওয়েট নেতৃত্বরা তাঁর প্রচারে আসছেন। প্রার্থী দীপঙ্কর জানা বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারের ক্ষেত্রে মিটিং, মিছিল, র্যালি ও কর্মী বৈঠক করা হচ্ছে।’ সিপিএম প্রার্থী নারায়ণ দাস বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে বাড়ি বাড়িতে গিয়ে প্রচার করছেন। এক্ষেত্রে তিনি কোনো গাড়ি ব্যবহার করছেন না। মূলত পায়ে হেঁটে প্রচার করছেন। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ছোটোছোটো পথসভা করছেন। তিনি বলেন, ‘বাড়িতে পৌঁছলে, মানুষের মনে পৌঁছনো যায়। তাই প্রচারের ক্ষেত্রে সরাসরি জনসংযোগে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।’ কংগ্রেস প্রচারের ক্ষেত্রে কর্মিসভা ও র্যালিতে বেশি জোর দিয়েছে। প্রার্থী নাসিরুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়ে কর্মিসভা ও র্যালি করা হচ্ছে। তার মাঝে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে পথসভাও করা হচ্ছে।’