• কোথাও নেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, কোথাও মেলেনি প্রাপ্য অর্থ, একাধিক DCRC-তে বিক্ষোভ ভোটকর্মীদের
    এই সময় | ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় DC RC-তে (Dispersion Center and Receipt Center) পৌঁছে গিয়েছেন ভোটকর্মীরা। তবে কোথাও ভোটকর্মীদের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, কোথাও ভোটকর্মীদের জন্য বরাদ্দ অর্থ দেওয়া হয়নি— এরকম একাধিক অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায় বিভিন্ন সেন্টারে।

    ডোমকল ডিসিআরসি-তে ভোটের ডিউটির প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে না পাওয়ায় বুধবার দুপুরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ভোটকর্মীরা। অভিযোগ, নির্দিষ্ট ভাতা অনেক ক্ষেত্রেই কম দেওয়া হয়েছে। কারও কারও ক্ষেত্রে ১৭০ থেকে ২৩০ টাকা পর্যন্ত কেটে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা ও এসডিপিও শুভম বাজাজ পুলিশের বড় বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ভোটকর্মীদের অভিযোগ, যাঁদের প্রাপ্য ছিল ২৬৩০ টাকা, তাঁদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ২১০০ টাকা। যাঁদের প্রাপ্য ২২৫০ টাকা, তাঁরা হাতে পেয়েছেন ১১৭০ বা ১৩৭০ টাকা। এই আর্থিক অসঙ্গতির কারণে ক্ষুব্ধ কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন এবং দ্রুত বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার দাবি করেন।

    অন্য দিকে, প্রখর দাবদাহে মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় তমলুকে সমস্যায় পড়েন ভোটকর্মীরা। গরমের কারণে তমলুকে DCRC-তে একাধিক মহিলা কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন। অ্যাম্বুল্যান্স ডেকেও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ ভোট কর্মীদের। তবে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার জানান, ‘স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানানোর পাশাপাশি আহতদের পরিষেবার ব্যবস্থা করা পাশাপাশি DCRC-তে প্যান্ডাল খুলে যাতে গরম থেকে রেহাই পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করা হয়।’

    বীরভূমের সিউড়ি DCRC-তে জমায়েত হওয়ার পরে অন্যান্য বুথে যাওয়ার বাস না থাকায় ভোটকর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। সিউড়ি DCRC-র সামনে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক কিছুক্ষণের জন্য অবরোধ করেন ভোটকর্মীরা। জানা গিয়েছে, সিউড়ি DCRC-তে জমায়েত হওয়ার পরে রামপুরহাট, নলহাটি, কোটাসুরে ভোটের ডিউটেতে যেতে বাস না থাকায় সমস্যায় শুরু হয়।

    দুর্গাপুরে ডিসিআরসিতেও বিক্ষোভ দেখান বিএলও কর্মীদের। তাঁদের অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়া এ দিন তাঁদের তলব করা হয়। ডিসিআরসি-তে আসার পরে জানিয়ে দেওয়া হয় ভুলবশত তাঁদের ডাকা হয়েছিল। এই ঘোষণার পরে ক্ষোভে পেটে পড়েন বিএলও-রা। তাঁদের বক্তব্য, ভোটের দিনে তাঁদের কাজ কী হবে? কোথায় তাঁদের বসতে দেওয়া হবে, এই সব কিছুই জনানো হয়নি। কাজের কোনও টাকা বরাদ্দ করা হয় নি বলে অভিযোগ করেন বিএলও-রা।

  • Link to this news (এই সময়)