• হানা দেবে হাতি! নজর বনকর্মীদের
    এই সময় | ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়, লাটাগুড়ি: জঙ্গল লাগোয়া দু'টি বুথ ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা বন দপ্তরের। নির্বিঘ্নে ভোট সম্পূর্ণ করতে বন দপ্তরের পক্ষ থেকে বুধবার বিকেল থেকেই শুরু হলো নজরদারি। বুধবার ভোরেও লাটাগুড়ির বিছাভাঙা ২১/১০০ বুথের ১০০ মিটার দূরে হাতি চলে আসে। যদিও কোনও বিপত্তি ঘটেনি। যদিও স্থানীয়দের কাছে শান্ত প্রকৃতির ওই হাতি 'লুড়কা বাবা' বলে পরিচিত। তবু কোনও ঝুঁকি ২৩ ঝুঁকি নিতে চাইছে না বন দপ্তর।

    নাগরকাটা বিধানসভার আওতাধীন লাটাগুড়ির বনবস্তি এলাকায় মাঝেমধ্যে হাতি হানা দেয়। বিছাভাঙা, সুরশ্রুতি ও বামনি বনবস্তি মিলিয়ে প্রায় ৪০০-র কাছাকাছি ভোটার রয়েছে ওই বুথে। জঙ্গলের মাঝের তিন কিলোমিটার সুদীর্ঘ পথ ধরে ভোটাররা ভোট দিতে আসেন। তাই বন দপ্তরের তরফে জঙ্গলের ওই এলাকায় নজরদারি চলবে। বন্যপ্রাণী ও মানুষ সংঘাত এড়াতে লাটাগুড়ি রেঞ্জের বনকর্মীরা ভোর থেকেই এলাকায় থাকবেন।

    ময়নাগুড়ি ব্লকের রামসাই কালামাটি বুথেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। এ দিন বিকেলে জলপাইগুড়ি বনবিভাগ ও গোরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের বনকর্মীরা বুথ পরিদর্শনে আসেন।

    ভোটকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করেন। রামসাই কালামাটির এই বুথটির চারিদিকে জঙ্গল রয়েছে। সন্ধ্যার পাশাপাশি দিনের আলোতেও মাঝেমধ্যে হাতি, বাইসন, লেপার্ড বেরিয়ে আসে। প্রায় ৫০০-র কাছাকাছি ভোটার রয়েছেন সেখানে। জঙ্গলের সুদীর্ঘ তিন কিলোমিটার পথ ধরে রামসাই কালীপুর, বুধুরাম, চাটুয়াবস্তি, চ্যাংমারির বাসিন্দারা ভোট দিতে আসেন। তাঁদের সুরক্ষায় বন দপ্তরের কর্মীরা সকাল থেকে বিকেল অবধি মোতায়েন থাকবেন।

    ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার কিংশুক মুখোপাধ্যায় বলেন, 'অরণ্যের মধ্যে বন দপ্তরের পক্ষ থেকে এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে সুষ্ঠু ভাবে ভোট সম্পূর্ণ করার জন্য।' উত্তরবঙ্গের বন্যপ্রাণী শাখার মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, 'জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বনকর্মীরা মোতায়েন থাকবেন এলাকায়।'

  • Link to this news (এই সময়)