সিভিকরা ছুটিতে, পুলিশ ভোটের কাজে, রাস্তায় মোড়ে মোড়ে যানজট, অব্যবস্থা
বর্তমান | ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদদাতা, ইটাহার: ক্রসিংয়ের মাঝে এসে হঠাৎ ব্রেক কষল লরি। কোনোমতে বাঁচলেন এক পথচারী। এই চিত্র এখন ইটাহারের বিভিন্ন চৌরঙ্গী ও মোড়ে। কিন্তু কেন এমন হল? কারণ, ভোটের জন্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় ও রাজ্য সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো ট্রাফিক পুলিশ। বুধবারও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইটাহারের বিভিন্ন এলাকায় ব্যস্ততম জাতীয় সড়ক পারাপার করতে দেখা গেল সাধারণ মানুষদের। কমিশনের নির্দেশে সোমবার বিকেল থেকে সিভিকদের ছুটিতে পাঠানোয় মুখ থুবড়ে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থা।
মূলত, ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে সিভিকদের সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কমিশনের নির্দেশে আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁদের পাঠানো হয়েছে ছুটিতে। যার জেরে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ইটাহারের উপর দিয়ে গিয়েছে শিলিগুড়ি-কলকাতাগামী জাতীয় সড়ক। ফলে নিত্যদিন হাজার হাজার যানবহন চলাচল করে এই রাস্তায়। তারমধ্যে ইটাহার সদর চৌরঙ্গী মোড় থেকে একদিকে শিলিগুড়ি-মালদহ ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ও অন্যদিকে বালুরঘাট-চাঁচল রাজ্য সড়ক। ট্রাফিক না থাকায় নিজের ইচ্ছে মতো মানুষ রাস্তা পারাপার করছেন। চৌরঙ্গী মোড়ে নেই অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যালও। ফলে আরও থাকছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। মাঝে মধ্যে যানজট হচ্ছে। ইটাহারের অন্তরা ঘোষ বলেন, ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ততম জাতীয় সড়ক পার হতে হচ্ছে। ট্রাফিকে কেউ নেই। ইটাহারের বাসিন্দা অজয় সরকার বলছেন, যখন-তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই চরম অব্যবস্থায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইটাহার থানায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মোট ১৪৮ জন সিভিক। ট্রাফিক ওসি সহ ৫ জন অফিসার।
সিভিকর ছুটিতে থাকলেও অন্য অফিসার ও কনস্টেবলদের দেওয়া হয়েছে ভোটের ডিউটিতে। ফলে ব্যাপক যানজট হচ্ছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে।