সভা থেকে বিদায়ী বিধায়ককে যোগ্য সম্মানের আশ্বাস নেত্রীর
বর্তমান | ২৩ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আমডাঙা বিধানসভায় রফিকুর রহমানকে প্রার্থী করেনি তৃণমূল। প্রার্থী হয়েছেন কাশেম সিদ্দিকি। এরপর প্রার্থীর হয়ে প্রচারেও দেখা যায়নি বিদায়ী বিধায়ক রফিকুরকে। দলে ‘অভিমানি’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার আমডাঙার নির্বাচনি জনসভার মঞ্চ থেকে রফিকুরকে ‘গুরুত্ব’ দিলেন দলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলে তাঁকে যোগ্য সম্মান দেওয়ার কথাও সভামঞ্চ থেকে জানিয়েছেন তিনি। নেত্রীর মুখ থেকে একথা শোনার পর আপ্লুত রফিকুর নিজেও।
এদিন আমডাঙার সাধনপুরের উলুডাঙা হাইস্কুলের মাঠে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনি জনসভা। দলনেত্রীর সভার কয়েক ঘণ্টা আগে বাড়িতে পড়ে যান রফিকুর। মাথায় চোট পান তিনি। মাথা জুড়ে ব্যান্ডেজ করা। সেই অবস্থায় রফিকুর সভামঞ্চে আসেন। নির্দিষ্ট চেয়ারে বসেছিলেন তিনি। বিকেল তিনটে লাগোয়া মাঠে হেলিকপ্টার থেকে নেমে মঞ্চে উঠে রফিকুরের মাথায় ব্যান্ডেজ দেখে তাঁর কাছে এগিয়ে আসেন মমতা। কি হয়েছে জিজ্ঞেস করেন। রফিকুরের কাছ থেকে বিষয়টি শোনার পরে তাঁকে কেয়ার নিতে বলেন দলনেত্রী। বক্তব্যের শুরুতে মমতা বলেন, আমি আমডাঙায় প্রতিবার আসি। কাশেম সিদ্দিকি দলের প্রার্থী। রফিকুর কিন্তু এখনও এই কেন্দ্রের বিধায়ক। দু’জনকে তিনি ডেকে নেন নিজের কাছে। রফিকুরকে হাত ধরতে বলেন কাশেমের। বিদায়ী বিধায়ক ও দলের প্রার্থী পরস্পরের হাত ধরতেই সভামঞ্চে উপস্থিত তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা হাততালিতে ভরিয়ে দেন। মমতা বলেন, রফিকুর রহমান আমাকে দিয়ে আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে ৬০ বেডের করিয়ে নিয়েছিল। আমি কথা দিচ্ছি, আগামী দিনে আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতাল ১০০ বেডের করে দেব। যাতে আপনাদের চিকিৎসার অসুবিধা না হয়। মমতা বলেন, একটা অনুরোধ ছিল তাই কাশেম সিদ্দিকিকে এখানে প্রার্থী করেছি। কিন্তু রফিকুর তুমি নিশ্চিত থাক, তোমাকে আমি যোগ্য সম্মান দেব। তোমরা একসঙ্গে মিলে কাজ কর।