• ‘কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে...’, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর, ভোট দিয়েই ঘাঁটি গেড়ে বসলেন নন্দীগ্রামে
    এই সময় | ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • নন্দীগ্রামের শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরোলেন। ই-রিকশায় উঠলেন। তার পরে সোজা বুথে গিয়ে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) দিলেন বিজেপি নেতা তথা নন্দীগ্রামের (Nandigram) প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikary)। তিনটি খণ্ডচিত্র। কিন্তু বার্তা একটাই। বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার আগে এবং পরে একটা কথাই ঘুরিয়েফিরিয়ে শুভেন্দু বললেন, ‘পরিবর্তন চাই, পরিবর্তন আনুন।’

    এ দিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরোন শুভেন্দু। বাইরে অপেক্ষা করছিল সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। তাঁদের দেখে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলে দেন, ‘বার্তা একটাই, পরিবর্তন আনুন।’ কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজে তিনি সন্তুষ্ট। শুভেন্দুর কথায়, ‘ভোটের আগের রাতটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যা দেখলাম তাতে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ধন্যবাদ দেওয়া যেতেই পারে।’

    এ দিন গাড়ি নেননি শুভেন্দু। ই-রিকশায় চেপে নিজের বুথে যান। পথে কিছুটা জনসংযোগ করেন। হিন্দুদের একজোট থাকার বার্তাও দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রামের পথ ধরে পৌঁছে যান নন্দনায়কবাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এটাই তাঁর বুথ। এখানে প্রায় আধ ঘণ্টা ছিলেন শুভেন্দু। তার পরে ভোট দেন। সেখান থেকে চলে যান নিজের কার্যালয়ে। ঘাঁটি গেড়ে বসেন। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ভোটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনা সেরে নেন।

    পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের সকালে গুন্ডাদের রাস্তায় থাকতে দেব না’। নন্দীগ্রামের দু’টি গ্রামে হিন্দুদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিককে সাসপেন্ড করার দাবি তুলে শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের পোলিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। পিংলার ওসিকে সাসপেন্ড করতেই হবে।’ তবে ভোট নিয়ে তিনি যে সন্তুষ্ট, তাও জানিয়ে দেন নির্দ্বিধায়। শুভেন্দুর কথায়, ‘তেমন কোনও গন্ডগোল নেই। ভালো ভোট হচ্ছে।’

  • Link to this news (এই সময়)