ভোট দিতে পারলেন না রিক্তা মণ্ডল বিশ্বাস নামের এক ভোটার। গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের পোলিং স্টেশন নম্বর 229, নয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটার তিনি। এ দিন তিনি ভোট দিতে পারলেন না, কারণ ভোট দিতে গিয়ে রিক্তা জানতে পারেন তাঁর ভোট পোস্টাল হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ তাঁর নামের পাশে কেউ পোস্টাল ভোট করে দিয়েছে। তাই এ দিন ইভিএম-এ ভোট দিতে পারলেন না তিনি। ভোট না দিয়েই ফিরে আসতে হলো তাঁকে।
মুরারইয়ে ভোট চলাকালীন কংগ্রেস-তৃণমূল সংঘর্ষের অভিযোগ। মুরারই বিধানসভার গোরসা পঞ্চায়েতের ৩১ নম্বর বুথের ঘটনা। ২ কংগ্রেস কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ২ জনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।
কুমারগঞ্জ বিধানসভার চালুন গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩ নম্বর বুথ চকশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টোটো করে ভোটারদের নিয়ে এসে প্রভাবিত করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কমিশনে অভিযোগ যেতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম। অভিযোগ পেয়ে চারজনকে আটক করে পুলিশ প্রশাসন। আটকদের পাল্টা অভিযোগ, তাঁরা ভোট দিয়ে টোটো করে বাড়ি যাচ্ছিলেন, সেই সময়ে ধরা হয়েছে।
ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে সরব সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সিউড়ির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শিপ্রা মজুমদার ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। জগন্নাথের অভিযোগ, নিয়ম না মেনে সিউড়ির চন্দ্রগতি স্কুলে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের পাশে বসে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন ওই কাউন্সিলর ও তাঁর লোকজন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই তৃণমূল কাউন্সিলর।
কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে মারধর করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৷ পুলিশের সামনেই কিল-চড়-লাথি মারার অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় ছবিতে যাদের দেখা যাচ্ছে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ সিইও অফিসের। বিশেষ পুলিশ অবজার্ভার জেলাকে এই নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রথম দফাতেই অভিযোগের পাহাড়! দুপুর বারোটা পর্যন্ত ৪৫০-র বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কমিশনে।
ভোটে ধুন্ধুমার নওদায়। দফায় দফায় অশান্তির অভিযোগ। একের পর এক গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ। হুমায়ুন কবীরের দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে অশান্তির অভিযোগ। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন। অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর। ঘটনার রিপোর্ট চাইল কমিশন।
উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ালেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি জানান, সুজাপুর বিধানসভার অন্তর্গত বেলতলারম ১৫৯ নং বুথের কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ জানাবেন। সাবিনা ইয়াসমিনের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিচয়পত্র দেখতে গিয়ে সময় নষ্ট করছে।
গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাসকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কর্তব্যরত উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে তপন ব্লকের উত্তর বজরাপুকুর জুনিয়র বেসিক স্কুলে। তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ, ওই স্কুলের ১৪৮ নম্বর বুথে দলের পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। খবর পেয়ে গৌতম দাস ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্যার সমাধান করেন। তবে একই বিদ্যালয়ের ১৪৯ নম্বর বুথে পর্যাপ্ত আলোর অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
নন্দীগ্রামের নির্দল প্রার্থী মহম্মদ নুর ইসলামের এজেন্ট আব্বাস বেগকে হেনস্থা, ধাক্কাধাক্কি, মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের ১৬৯ নং বুথ কমলপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর ঘটনা।
নওদায় হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তাঁকে দেওয়া গো-ব্যাক স্লোগানও। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি সুপ্রিমোকে হেনস্তার ঘটনায় রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন।
নিজের ভোট দিতে পারলেন না নির্বাচন কমিশনের ব্যবহৃত গাড়ির চালকের। তাঁর বাড়ি বালুরঘাট শহরের দুই নম্বর ওয়ার্ডে। ওই গাড়ির চালকের ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার কথা ছিল। তবে কমিশনের তরফে ওই চালককে জানানো হয় তাঁর ব্যালট পেপার আসেনি। কিন্তু এ দিন বুথে ভোট দিতে গিয়ে ভোট দিতে পারলেন না তিনি।
সকাল ১১টার মধ্যে বিপুল ভোটদান। বাংলায় ভোটদানের হার পৌঁছল ৪১.১১%-এ। গত চার ঘণ্টায় ঝাড়গ্রামে ভোট পড়েছে ৪৩.৭১%, বীরভূমে ভোটের হার ৪১.৯২%, পুরুলিয়ায় ভোট পড়েছে ৩৯.১৬%, দার্জিলিং-এ ৩৯.৭২%। কালিম্পংয়ে ভোট পড়ল ৩৯.৬১%, মালদায় ৩৮.২২%, মুর্শিদাবাদে ৪১.৫৯%, পশ্চিম বর্ধমানে ৪০.২৪%, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৪৪.৬৯%, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪২.১৬% , আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৩৮.৮০%, বাঁকুড়ায় ৪৩.২২%, কোচবিহারে ভোটদানের হার ৩৮.৬৭%, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪১.১৭%, উত্তর দিনাজপুরে ৩৯.০৪% এবং জলপাইগুড়িতে ৩৯.৫১% ভোট পড়েছে।
সকাল ১১টা পর্যন্ত কমিশনের দপ্তরে ভোটদান নিয়ে জমা পড়েছে ২৬০টি অভিযোগ। আরও ৩৭৫টি অভিযোগ জমা পড়েছে সি-ভিজিল অ্যাপের মাধ্যমে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বামনবাড় জুনিয়র হাইস্কুলের ২৩৪ নম্বর বুথে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হলো নৃপেন্দ্র দাস (৫৮) নামের এক ব্যক্তির ।
বুথে ঢুকতে দেওয়া হলো না সিউড়ি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের ইলেকশন এজেন্ট রমা রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়কে। হাতে মহকুমা শাসকের দেওয়া পারমিশন লেটার নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।
প্রথম দফার ভোটের রিপোর্ট নিতে বিজেপির ওয়ার রুমে পৌঁছলেন অমিত শাহ। সকাল এগারোটা নাগাদ সল্টলেকে বিজেপির পার্টি অফিসে এসে ভোট কেমন হচ্ছে খবর নিলেন তিনি। ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন শাহ। ভোটে দায়িত্বে থাকা নেতাদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে তাঁর।
ভোটের দিনে নিরাপত্তার কড়াকড়ির মাঝেই সামনে এল অব্যবস্থার একাধিক অভিযোগ। বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়ে ভোটকেন্দ্রগুলির বেহাল পরিকাঠামো নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন। তাঁর দাবি, বহু কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, কোথাও বা পোলিং এজেন্টদের বসার ন্যূনতম জায়গাটুকুও মেলেনি।
রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার ইমামনগর এলাকার ৫৪,৫৫,৫৬ নং বুথে ভোটারদের ঘুগনি-মুড়ি দিয়ে প্রভাবিত করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর কথা বললেন কংগ্রেস প্রার্থী নাসির সেখ।এরপাশাপাশি বুথে কেন্দ্র বাহিনী না থাকার অভিযোগ করলেন নাসির সেখ।
কন্ট্রোল রুম থেকে বিভিন্ন বিধানসভার বুথের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন নির্বাচনী আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। উপস্থিত রয়েছেন CEO মনোজ আগরওয়াল।
হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক-এর ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর বুথে উত্তেজনা। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী মতিউর রহমান বুথের সামনে গিয়ে ভোটারদের শাসানি দিয়েছেন। ভোটারদেরকে প্রভাবিত করছেন তৃণমূল প্রার্থী মতিউর রহমান। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তা ভিত্তিহীন। প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কেশপুর বিধানসভার দিঘা বুথে ভোট দিতে গিয়ে মৃত্যু ভোটারের। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পরেই মারা গেলেন কেশপুরের ইসরাতন বিবি। বয়স ৫০-এর কাছাকাছি। বাড়ি কেশপুরের সীমা গেরিয়াতে। এদিন সকালে তিনি ভোট দিতে যান দিঘা বুথে। SIR-এ ইসরাতন বিবির স্বামীর নাম বাদ চলে গিয়েছে। এই জন্য দুশ্চিন্তায় ছিল গোটা পরিবার।
নির্বাচন শুরু হতে গঙ্গারামপুরে তৃণমূল এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতৃত্ব। নির্বাচনী কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা জটলা পাকাচ্ছেন বলে অভিযোগ করলেন বিজেপি সহ-সভাপতি অশোক বর্ধন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা ভোটারদের প্রভাবিত করবার চেষ্টা করছেন। অবজার্ভারকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
মেজাজ হারালেন বিজেপির চাঁচল বিধানসভার এজেন্ট লক্ষণ পান্ডে। অভিযোগ, মতিহারপুর অঞ্চলের ২১০ পোহরিয়া বুথে তাদের পোলিং এজেন্টকে কর্মরত অবস্থায় বুথ থেকে বের করে দেয় প্রিসাইডিং অফিসার। পরে সমস্যা মিটলে প্রার্থী ও এজেন্ট গেলে তাঁদের বসতে দেওয়া হয়। কিন্তু, সময় অপচয় করা হলো বলে আক্ষেপ বিজেপির।
মুর্শিদাবাদের নওদা আসনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ এবং গো-ব্যাক স্লোগান। নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনের গাড়ি ঘিরে রেখে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। গো-ব্যাক স্লোগানও শোনা যায় তাঁদের মুখে। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান তুলছেন অনেকে। পৌঁছছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী।
বহরমপুরের সাত নম্বর ওয়ার্ড, যা তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। ওই ওয়ার্ডের ভোট কর্মীদের জন্য রান্না হচ্ছে বহরমপুর জেলা কংগ্রেস কার্যালয় লাগোয়া এক রেস্তোরাঁতে। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে লুচি-আলুর তরকারি-রসগোল্লা পাঠানো হয়েছে। দুপুরের মেনুতে রয়েছে ফ্রায়েড রাইস, দু’পিস চিকেন ও আলু। সকালের টিফিন প্যাকেট হয়েছিল ২৫০ জনের আর লাঞ্চ প্যাকেট হচ্ছে ৪০০-৫০০ জনের মতো।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওসি-র অপসারণের দাবি তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন,‘অনেক ভালো ভোট বেটার। শুধু পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিক ভীষণ গুন্ডামি করেছেন। এখনও করছেন। ওঁর সাসপেনশন চাই।’
ভোট দিতে এলেই মিলছে ছোলা-মুড়ি এবং ঠান্ডা পানিও। বিজেপির কর্মীরা টেন্ট করে সেখান থেকে মুড়ি বিলি করছেন। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মেদিনীপুর সদর ব্লকের কুঁয়াবুড়ি বুথের সামনে ঘটেছে এই ঘটনা।
জোরকদমে চলছে বাংলার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সকাল ৯টা পর্যন্ত বাংলায় ভোটদানের হার ১৮.৭৬%। গত দু’ঘণ্টায় ঝাড়গ্রামে ভোট পড়েছে ১৯.৮৪%, বীরভূমে ভোটের হার ১৯.০১%, পুরুলিয়ায় ভোট পড়েছে ১৫%, দার্জিলিং-এ ১৮.৮০%। কালিম্পংয়ে ভোট পড়ল ১৮.৭৪%, মালদায় ১৬.৯৬%, মুর্শিদাবাদে ১৮.৮৮%, পশ্চিম বর্ধমানে ১৯.০০%, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২০.৫১%, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৮.৮১% , আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ১৭.৭০%, বাঁকুড়ায় ২০.২০%, কোচবিহারে ভোটদানের হার ১৭.৫৬%, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১৮.৮১% এবং জলপাইগুড়িতে ১৮.৫০% ভোট পড়েছে।
ভোট কেন্দ্রের জানালা খোলা রাখার অভিযোগ। রাস্তা থেকে দেখা যাচ্ছে ভিতরের চিত্র। মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ২২১ নম্বর বুথের ঘটনা। বিষয়টি নজরে আসতেই সেক্টর অফিসারকে অভিযোগ জানালেন কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম নূর। ভোট কর্মীদের দাবি, আলোর সমস্যা থাকায় জানালা খোলা
ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্রের রায়পুরে ২১৭ নম্বর বুথে চমকে-ধমকে তৃণমূলের লোকজন ভোটারদের বের করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। এর পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা দিয়ে ভোটারদের বুথ কেন্দ্রের নিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
মালদার মকদমপুর অঞ্চলের হাজাতপুর প্রাইমারি স্কুলে, বুথ নং - ১৩৩-এ প্রায় ৪০-৪৫টি ভোট হওয়ার পরে EVM খারাপ হয়ে যায়। বর্তমানে সেই কেন্দ্রে ভোট দান বন্ধ রয়েছে।
চাঁচল বিধানসভার ৫ নং বুথ কুশিদা হাইস্কুলে ঘন ঘন বিকল হচ্ছে ইভিএম। বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ভোটারদের মধ্যে। সকাল থেকে ভোট শুরু হলেও দুই বার ইভিএম বিকল হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন ভোট কর্মীরা।
কুমারগ্রাম বিধানসভার ১০/২৫১ নম্বর বুথে এখনও পর্যন্ত ভোট শুরু হয়নি। মোট ভোটার ১২০৯ জন। তাদের জন্য দু’টি ভোট কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। এক থেকে ৬০০ জন একটি বুথে, বাকিরা অন্য বুথে। ১ থেকে ৬০০ ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা এখনও ভোট দিতে পারছেন না। অভিযোগ, ওই বুথে প্রিসাইডিং অফিসার নেই, আসেনি EVMও।
ডোমকলের রায়পুরে তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে গোলমালের ঘটনায় এ বার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখলেন কুমারগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। কুমারগঞ্জ বিধানসভার ফুলবাড়ি হাইস্কুলে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। যা নিয়ে সাময়িক বচসা হয়। যদিও পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ইভিএম বিকলের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হল মালদার মোথাবাড়ি বিধানসভার বালুয়াচরা হাইস্কুলের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে। ইভিএম বিকলের দীর্ঘক্ষণ পর সেক্টর অফিসার আসায় তাকে ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মোথাবাড়ির বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ সহ সাধারণ ভোটাররা। এমনকি কয়েকজন ভোটার মিলে সেক্টর অফিসারের হাত ধরে টানাটানিও করতে থাকেন। ধস্তাধস্তি করার ছবিও ধরা পড়েছে ক্যামেরায়।
সিউড়ির তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় নিজের নেতাজী বিদ্যাভবন বুথে ভোট দিলেন। অন্যদিকে, কালীগতি নারীশিক্ষা নিকেতনের ১৫৯ নম্বর বুথে কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় অধিকারী সকাল থেকে এসে ভোট দিতে পারলেন না। তার দাবি, এক ঘণ্টা হয়ে গেল মেশিন খারাপ। এই বাড়তি সময় শেষে দিতে হবে।
ভোটদানের দিনেই খবরের শিরোনামে মোথাবাড়ি। মেশিনে সমস্যা থাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা পার করে তার পরে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। উত্তেজিত ভোটাররা সেক্টর অফিসারকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান।
হলদিয়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে টাউনশিপের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের বুথে ইভিএম মেশিন খারাপের জন্য ভোটগ্ৰহণ বন্ধ। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা।
ফের উত্তেজনা মোথাবাড়িতে। দেড় ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও ভোটগ্রহণ শুরু করা যায়নি মোথাবাড়িতে। সেখানকার একটি বুথে ইভিএম সমস্যার কারণে শুরু হয়নি ভোট গ্রহণ। সেক্টর অফিসারকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান ভোটাররা।
ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই তুলকালাম ডোমকলে। সেখানকার রায়পুরে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষের অভিযোগ। আহত হয়েছেন চার জন। তার পরেই সকালেও উত্তেজনা এলাকায়। ভোটারদের অভিযোগ ভোট দিতে না যাওয়ার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। আশপাশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাউকে দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ।
বৃহস্পতিবার সকাল সকাল বালুরঘাট পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর বুথে দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন বালুরঘাট বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়। ভোট দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন তিনি। কমিশনের ঘোষণা মত সব ধরণের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রথম দফার ভোটের সকালে আশাবাদী অধীর চৌধুরী। মুর্শিদাবাদের হারানো জমি ফের কংগ্রেসে ফিরে পাবে বলে মনে করেন তিনি। অধীরের কথায়, ‘শাসকদল প্রচারে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু, আশা করছি কংগ্রেস এ বার হারানো জমি অনেকটাই ফিরে পাবে।’
বৃহস্পতিবার সকালেই ভোট কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। আটটা বাজার কিছু আগে তিনি নন্দীগ্রামের ৭৯ নম্বর বুথ নন্দনায়ক বাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছন। সেখানেই ভোট দেবেন তিনি।
বাড়ির সামনে বুথে দিনের প্রথম ভোটার হিসেবে ভোট দিয়ে দিন শুরু করলেন জলপাইগুড়ি র রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। শিলিগুড়ির পাতকাটা ঘোষপাড়া বিএফপি স্কুলে সপরিবার ভোট দিলেন এশিয়াডে সোনা জয়ী তথা রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। তাঁর বুথ নং :- ১৮/১৯৭
মালবাজার বিধানসভার ১০৬ নম্বর বুথে ভোট দিলেন তৃণমূল প্রার্থী বুলুচিক বরাইক। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ভোট দিতে যান নিজের বুথে। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বুলুচিক বরাইক জানান, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁর ভোট প্রক্রিয়া হয়েছে। এবং জয়ের ব্যাপারে তিনি ১০০ শতাংশ আশাবাদী বলেও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উল্লেখ করেন।
ময়নাগুড়ি হাসপাতাল পাড়া ১৬/১৫২ নং বুথে সমস্যা, এখনও শুরু হয়নি ভোটদান। ভোট দিতে এসে সমস্যায় পড়লেন বিজেপি প্রার্থী ডালিম রায়ও। মেশিন বিকল থাকায় ভোট দিতে না পেরে বেরিয়ে গেলেন।
মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ২৩১ নম্বর বুথের EVM খারাপ। এখনও ভোট শুরু হয়নি। শীঘ্র ভোট প্রক্রিয়া শুরুর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভোট গ্রহণ শুরু হল ঝাড়গ্রামে। ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ২০৮ এবং ২০৯ নম্বর মহিলা ভোটকর্মীদের পরিচালিত বুথ রয়েছে ননীবালা বালিকা বিদ্যালয়ে। ভোট শুরু হওয়ার আগে সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক লম্বা লাইন পড়ে যায়। ঘড়িতে ৭টা বাজতেই খোলা হয় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের গেট। শুরু হয় ভোট গ্রহণ। বুথের বাইরে দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও রয়েছে। সকাল সকাল ভোট দেওয়ার জন্য ঝাড়গ্রাম শহরের অন্যান্য বুথেও ভোটারদের লাইন।
সকাল সকাল নিজের বুথে সস্ত্রীক ভোট দিলেন ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায়। ধূপগুড়ি বিদ্যাশ্রম হাই স্কুলের ১৫\১৪৭ নম্বর বুথে এসে ভোট দিলেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী নরেশ রায় জানান, ধূপগুড়ি বিধানসভা জেতার ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী।
ঝাড়গ্রামে জীতুশোল আংশিক বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের বাইরে ঘুরছে হাতি। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভোটারদের মধ্যে।
ভোট দিতে গেলেন নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র কর। শম্ভুনাথ প্রাথমিক শিক্ষা সদনের ৭ নম্বর বুথে ভোট দেবেন পবিত্র। ওই কেন্দ্র থেকেই ভোটে লড়ছেন বিজেপি প্রার্থী ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফা ভোটে ভোটারদের উৎসাহিত করতে বাংলাতেই এক্স পোস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। মহিলা ভোটারদের উদ্দেশে আলাদা করে বার্তা। তিনি লিখেছেন,‘পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ আজ। আমি সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। আমি বিশেষভাবে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করছি।’
পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোটদান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভোট দেওয়ার জন্য সকাল থেকেই লাইনে ভোটাররা। জেলার মোট ভোটার ৪১ লক্ষ ৬০ হাজার ১৫৪ জন। নিরাপত্তার জন্য এই জেলাতেও প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মজুত ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট পাঁচ হাজার চল্লিশটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে এই জেলায়। ভোট গ্রহণ শুরুর আগে বাকচার বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখছেন এবং পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলছেন ময়না বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল।
সাতটা বাজতেই বুথে বুথে শুরু ভোট গ্রহণ। তার আগেই বিভিন্ন জেলায় বুথের বাইরে লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে।
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে অরক্ষিত EVM, দাবি বিরোধীদের। ঘটনাস্থলে ছিল না কোনও নিরাপত্তারক্ষী, অভিযোগ বিরোধীদের।
২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় শুরু হলো মক পোলিং। উপস্থিতি সমস্ত রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্ট।
সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ
বিধানসভা ভোটের প্রথম দফায় দায়িত্বে রয়েছেন ৫ লক্ষ ভোটকর্মী
বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে
প্রথম দফার ভোটে ৯ থেকে ১০ হাজারটি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে
আজ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট। ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।