বাংলায় নির্বিঘ্নে ভোট করাতে মোতায়েন রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী। নজিরবিহীন ভাবে রাস্তায় নেমেছে সাঁজোয়া গাড়ি। ভোটারদের সুরক্ষাতেও কড়া নজর কমিশনের। ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং সত্ত্বেও এড়ানো গেল ছাপ্পা? শিলিগুড়িতে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুললেন এক ভোটার। জীবনে প্রথম বার ভোট দিতে এসে ভোটার শুনলেন তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ পাঠশালায়।
জানা গিয়েছে, ছাপ্পা ভোটের শিকার কাজল দাস নামে এক তরুণী। এই বছরই প্রথম ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পর উৎসাহের সঙ্গে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ পাঠশালায় তাঁর নিজের বুথে পৌঁছতেই হতাশাজনক অভিজ্ঞতার শিকার হলেন কাজল দাস। ওই তরুণীর অভিযোগ, তাঁর পরিচয়পত্র দেখে প্রিসাইডিং অফিসার জানান, তাঁর ভোট আগেই হয়ে গিয়েছে। প্রথম বার ভোট দিতে এসে এ ভাবে আশাভঙ্গ হতেই প্রবল ক্ষুব্ধ ভোটার। তরুণীর বক্তব্য, ‘এত ব্যবস্থা করে কী হলো! যদি ভোট দিতেই না দেয়, তা হলে আগেই বলে দিত। কষ্ট করে বাড়ি থেকে আসতাম না। আমি হতাশ।’
উল্লেখ্য, শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ পাঠশালার ওই বুথেরই ভোটার শিলিগুড়ি বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। এই ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই ওই বুথে ভোট দিয়েছেন তিনি। তরুণীর ঘটনা কানে যেতেই তিনি জানান যে, নির্বাচন কমিশনে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত অভিযোগ জানাবেন। বিশেষজ্ঞের মতে, বুথের ভিতরে সিসিটিভি থেকে যিনি ওই মহিলার হয়ে ভোট দিয়েছেন তাঁকে মার্ক করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দোষী প্রমাণিত কড়া সাজা হতে পারে তাঁর। শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে পারে প্রিসাইডিং অফিসারের উপরেও।