টেবিলে সাজানো পান পাতা, সুপারি, বিড়ি, লাল চা। যার যা পছন্দ, তুলে নিচ্ছেন। এমনই ছবি ধরা পড়ল জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের দক্ষিণ কাঁঠুলিয়া গ্রামের ১৫/১০৫ নম্বর বুথে। ছোটকালী এলাকায় বুথের থেকে প্রায় একশো মিটার দূরে ভোটারদের জন্য রয়েছে পান, সুপারি এবং লাল চায়ের ব্যবস্থা। বিজেপি বলছে, এ আয়োজন তৃণমূলের। ভোটারদের প্রভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাল্টা শাসক শিবিরের দাবি, তাঁদের এ ভাবে ভোটের প্রয়োজন হয় না।
একে তো বিচ্ছিরি গরম। তার মধ্যে ভোটকেন্দ্রগুলির বাইরে লম্বা লাইনে দীর্ঘ অপেক্ষা। ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সকলেই চাইছেন সকাল সকাল ভোটটা দিয়ে দিতে। কাঁঠুলিয়ায় ১৫/১০৫ নম্বর বুথে যাওয়ার রাস্তায় এ দিন দেখা গেল টেবিল চেয়ার পেতে কয়েক জন বসে আছেন।
টেবিলে রাখা জগ ভর্তি লাল চা, টেবিলের উপরে ছড়ানো পান পাতা, রাখা সুপারি, বিড়ি, দেশলাইও। শচীন রায়, মনেশ্বর রায়দের দাবি, এই গরমে ভোট দিতে এসে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। একটু লাল চা পেলে খারাপ হয় না। চায়ের পরে পান সুপারি হাতে পেলে কিংবা বিড়ি পেলে খারাপ কী?
কিন্তু বিজেপি বলছে, এ ভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপি নেতা রনো ঘোষের দাবি, মানুষকে পান, সুপারি দিয়ে এ ভাবে ভোট কেনা যাবে না। পাল্টা জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেশকুমার সিং জানান, অভিযোগ করা বিজেপির কাজ, ওরা করছে। তৃণমূলের এ সবের দরতার নেই। এ ভাবে হাওয়া গরম না করে, দরকার হলে কমিশনে জানাক।