• দলের এজেন্টকেই চিনতে পারছেন না প্রার্থী! ‌
    আজকাল | ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিজেপির এজেন্ট পরিচয় দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক এক যুবককে বুথে বসিয়ে রাখার অভিযোগকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৮৬ এবং ১৮৭ নম্বর বুথে। 

    অভিযোগ উঠেছে বৃহস্পতিবার ভোট চলাকালীন বিজেপির এজেন্টদেরকে ১৮৬ এবং ১৮৭ নম্বর বুথে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি নজরে আসতেই বিজেপির ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অনামিকা ঘোষ এলাকায় পৌঁছে যান এবং তাঁর হস্তক্ষেপে ‘‌এজেন্ট’‌ পরিচয় দিয়ে বুথে বসে থাকা এক যুবককে ভোট কেন্দ্র থেকে বার করে দেয় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। সূত্রের খবর, ভরতপুর বিধানসভার ১৮৬ নম্বর বুথে এবছর বিজেপির এজেন্ট ছিলেন বৈকুন্ঠ মাঝি এবং ১৮৭ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্ট ছিলেন উৎপল প্রধান নামে এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার সকালে ভোট শুরুর সময় তাঁরা যখন নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন অভিযোগ উঠেছে সেই সময়ে তৃণমূলের তরফ থেকে তাঁদেরকে হুমকি দেওয়া হয় এবং দু’‌জনকেই বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

    এরপর ১৮৬ নম্বর বুথে বিজেপির এজেন্ট হিসেবে জনৈক চিরঞ্জিত ঘোষকে বসিয়ে দেয় শাসক দলের লোকজন। 

    এই ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপি প্রার্থী অনামিকা ঘোষ ওই বুথে পৌঁছে যান এবং ‘‌নিজের দলীয় এজেন্ট’‌কে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু চিরঞ্জিত ঘোষ এজেন্ট হিসেবে কাজ করার কোনও কাগজপত্র ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার বা বিজেপি প্রার্থীকে দেখাতে পারেননি। এরপরই গোটা বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। 

    এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে চিরঞ্জিত ঘোষকে ওই বুথ থেকে বার করে দেওয়া হয়। বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কর্মরত চিরঞ্জিত ঘোষ বলেন, ‘‌তন্ময় রায় নামে আমাদের গ্রামেরই এক বাসিন্দা এই বুথে এজেন্ট হিসেবে ছিল। কিন্তু তিনি কোন দলের এজেন্ট আমি জানি না। আমি ১৮৬ নম্বর বুথে ভোট দিতে এসেছিলাম। তন্ময় আমাকে দেখতে পেয়ে কিছু কাগজপত্র আমার হাতে তুলে দেয় এবং বলে যাঁরা ভোট দিতে আসছেন তাঁদের সকলের নাম তালিকা দেখে মিলিয়ে নেওয়ার জন্য। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের এজেন্ট নই।’‌ যদিও এজেন্ট না হয়েও একজন যুবক কীভাবে বৈধ নথি ছাড়া এজেন্টের পাশে বসেই কাজ করছিলেন তার সদুত্তর ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার দিতে পারেননি। 

    বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ করেন, ‘‌টাকার বিনিময়ে এই বুথে তৃণমূলের লোককে বিজেপির পোলিং এজেন্ট বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। যে যুবককে আমরা হাতেনাতে ধরেছি তাঁর কাছে কোনও ফর্ম বা পরিচয় পত্র কিছুই ছিল না।’‌ 

     
  • Link to this news (আজকাল)