সমবায় ভোটকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রামে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনায় নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে ৪৩ জন তৃণমূল নেতাকে হাজিরার নোটিস পাঠিয়েছিল এনআইএ। কিন্তু গ্রেপ্তারি এড়াতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন শঙ্কু নায়েক সহ ৪ তৃণমূল নেতা। বৃহস্পতিবার সেই চার জনের আবেদন খারিজ করল হাই কোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। অর্থাৎ এনআইএ-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করল না আদালত।
২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর নন্দীগ্রামের সমবায় ভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। সমবায় ভোট চলাকালীন নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কাঞ্চননগর দিদারুদ্দিন বিদ্যাভবন ভোট কেন্দ্রে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বচসা শুরু হয়েছিল। তারপরেই শুরু হয় বোমাবাজি। এই ঘটনায় ৪৩ জনের নামে অভিযোগ জমা পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তের ভার যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে। এরপরই এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৪৩ জনকে একসঙ্গে নোটিস পাঠায় এনআইএ। শেখ সুফিয়ান, আবু তাহের, শঙ্কু নায়েক সহ দাপুটে তৃণমূল নেতাদের ডেকে পাঠায় এনআইএ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ১৭ এপ্রিল ৪৩ জনকে এনআইএ-র সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও হাজিরা না দিয়ে গ্রেপ্তারি এড়াতে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের ৪ নেতা। সেই আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট।
উল্লেখ্য, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট হয়েছে। আর এদিনই তৃণমূল নেতাদের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে তৃণমূলের অভিযোগ করেছে, এই ঘটনায় তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন শেখ সুফিয়ান।