নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: একটি ক্লাবে বসে নির্বাচন কমিশনের ভোটার স্লিপ বিলি করছিলেন বিএলও। কিন্তু ক্লাবটি তৃণমূল কংগ্রেস প্রভাবিত বলে অভিযোগ তুলে তাতে আপত্তি জানান বিজেপি কর্মীরা। এনিয়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটি পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। এদিন নৈহাটি বিধানসভার ১৫৭ নম্বর বুথের বিএলও, পেশায় শিক্ষক বিজয়কুমার ঝাঁ ১১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ক্লাবে বসে ভোটার স্লিপ বিলি করছিলেন। খবর পেয়েই বিজেপির নৈহাটি মণ্ডলের সভাপতি সৌম্যদীপ মোদক দলবল নিয়ে সেখানে হাজির হন। তাঁর দাবি, ওই বিএলও কমিশনের নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে তৃণমূল প্রভাবিত ক্লাবে বসে স্লিপ বিলি করছিলেন। সে সময় তাঁর পাশে ছিলেন তৃণমূলের বিএলএ-টু। আমরা এনিয়ে কমিশনে নালিশ জানাবো।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএলও বিজয়কুমার ঝাঁ। তাঁর দাবি, এই গরমে প্রখর রোদের হাত থেকে বাঁচতে একটি ক্লাবে বসে ভোটার স্লিপের সিরিয়াল মিলিয়ে নিচ্ছিলাম, কোনও স্লিপ বিলি করিনি। তাছাড়া এটা কোনো দলের ক্লাব নয়। এবিষয়ে নৈহাটির তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক সনৎ দে দাবি করেছেন, নৈহাটিতে বিজেপি ৭০ শতাংশ বুথে এজেন্ট দিতে পারবে না। এখানে বিজেপি প্রার্থী অন্তত ৬০ হাজার ভোটে হারবেন। তাই এখন নাটক করছেন বিজেপি নেতারা। একজন সরকারি কর্মী হিসাবে বিএলও কোথায় বসবেন, সেটা ঠিক করবেন তিনিই। উনি তো পার্টি অফিসে বসে স্লিপ বিলি করছিলেন না।