প্রথম দফার ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) মিটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। রাতেই হিঙ্গলগঞ্জ থানার অফিসার ইন চার্জ সন্দীর সরকারকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সাসপেন্ড করার পাশাপাশি সন্দীপের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশও দিয়েছে কমিশন (Election Commission of India)।
হিঙ্গলগঞ্জের ওসি-র বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে গুরুতর অভিযোগ জমা পড়েছিল বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর পরেই পক্ষপাতিত্ব, স্থানীয় অসাধু চক্রের সঙ্গে গোপন আঁতাঁত এবং সব দলকে সমান সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠান নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিতকুমার মিশ্র।
সন্দীপকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়ে কমিশন লিখেছে, ‘হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ সরকারকে অবিলম্বে পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।’ শুক্রবার বেলা ১১টার মধ্যে রাজ্যকে এই নির্দেশ কার্যকর করার রিপোর্টও পাঠাতে বলেছে কমিশন।
সন্দীপকে সাসপেন্ড করার পরে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় অফিসার ইন চার্জের দায়িত্বে কাকে পাঠানো হবে, তা এখনও জানা যায়নি। নির্দেশিকায় কোনও নাম সুপারিশ করেনি নির্বাচন কমিশন। তবে রাজ্যকে দ্রুত এই পদে কোনও অফিসারকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কড়া হাতে নির্বাচন পরিচালনা করছে কমিশন। এর আগে হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে পোস্টাল ভোটিংয়ের সময় ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগে মাসুদ করিম নামে এক কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করেছে কমিশন। নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানকে পুলিশের গাড়িতে করে এসডিও অফিসে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে মহাবীর বেরাকেও।