রোদের মধ্যে ভোটের কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা। অথচ তাঁদের নামই বাদ চলে গিয়েছে এসআইআর-এ। ভোটার তালিকায় এখন আর তাঁদের নাম নেই। ফলে ভোটও দিতে পারছেন না তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বাংলার ৬৫ জন ভোটকর্মী। যদিও শীর্ষ আদালত থেকে আপাতত খালি হাতেই ফিরতে হলো তাঁদের। আদালত জানিয়ে দিল, নিয়ম মেনে তাঁদের অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালেরই দ্বারস্থ হতে হবে।
ভোটকর্মীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে উঠেছিল। মামলাকারীদের আইনজীবী মহম্মদ শামসেদ আদালতে জানান, বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটে কাজ করা ৬৫ জন ভোটকর্মীর নাম এসআইআর-এ বাদ গিয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁদের নামই নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ভোটের ডিউটির যে নির্দেশ তাঁরা পেয়েছিলেন, তাতে তাঁদের সকলের এপিক নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এখন এসআইআর প্রক্রিয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, সেই এপিক নম্বরের কোনও অস্তিত্বই নেই!
মামলাকারীদের আইনজীবী বলেন, ‘ওঁরা নির্বাচনের কাজ করছেন। অথচ ভোট দিতে পারছেন না। এটা কী রকম ব্যবস্থা? এসআইআর-এ কেন নাম বাদ গিয়েছে, তা জানানোও হয়নি অনেককে।’
এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জানান, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলেও, মামলাকারীদের অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালেরই দ্বারস্থ হতে হবে। ট্রাইব্যুনালই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের আর এক সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, ‘যা নির্দেশ দেওয়ার ট্রাইব্যুনালই দেবে। এই নির্বাচনে হয়তো আপনারা ভোট দিতে পারবেন না। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি ভোটার তালিকায় নাম ওঠা।’