প্রথম দফার ১৫২ আসনে ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) হয়েছে বৃহস্পতিবার। কিন্তু রাজ্যের বাসিন্দাদের একাংশ ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। কারণ নাম ওঠেনি ভোটার তালিকায়। অনেকেই এখনও বিচারাধীন রয়েছেন। তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে কি না, তার নিষ্পত্তির কাজ চলছে। অভিযোগ, নিষ্পত্তির কাজ চলছে ঢিমেতালে। শুক্রবার বাংলার SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমনই অভিযোগ করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।
ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘু ও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানিতেই ট্রাইব্যুনালে ঢিমেতালে কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ জানান রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আদলতে বলেন, ‘২৭ লক্ষ মানুষ আবেদন করেছিলেন। কিন্তু মাত্র ১৩৬ জনের আবেদনের মীমাংসা হয়েছে।’ এর জবাবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে যান।’
এ দিন বাংলার প্রথম দফার ভোট নিয়েও কিছুক্ষণ চর্চা হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। কেন্দ্রীয় সরকারের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘এ বার ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। এটা ঐতিহাসিক।’ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কমিশনের প্রশংসা করে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘ব্যতিক্রমী শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সবাই নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করছে।’ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও বলেন, ‘দেশের মানুষ ভোট দিলে গণতন্ত্র মজবুত হয়।’
মোথাবাড়িতে বিচারকদের ঘেরাও করে রাখার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে NIA। কিন্তু এখনও চার্জশিট পেশ হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের কাছে চার্জশিট পেশের জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছিলেন NIA-র আইনজীবী সূর্যপ্রকাশ ভি রাজু। তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে শীর্ষ আদালত। তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চার্জশিট পেশের জন্য অতিরিক্ত সময়ও মঞ্জুর করেছেন বিচারপতিরা।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকল, তা নিষ্পত্তির জন্য আপিল ট্রাইবুনাল গঠন করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এতে রয়েছেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। তাঁরাই নাম বাতিলের অভিযোগের নিষ্পত্তি করছেন। কিন্তু সেই কাজ খুব ধীরগতিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।