• ‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না’, প্রথম দফার ভোট নিয়ে দাবি মোদীর
    এই সময় | ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৩ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বাংলায় প্রথম দফার ১৫২ আসনে ভোটদানের হার। তা দেখে তৃণমূল এবং বিজেপি দুই যুযুধান পক্ষই নানা দাবি করেছে। শাসকদলের যেমন দাবি করেছে, এই বিপুল ভোট পড়েছে এসআইআর-বিরোধিতার কারণে। আবার বিরোধীপক্ষের দাবি, এই ভোট রাজ্যে ক্ষমতার ‘পরিবর্তন’-এর পক্ষে পড়েছে। কে কত আসন পেতে পারে বাকযুদ্ধ চলছে, তা নিয়েও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এ বার দাবি করলেন, বাংলার মানুষ যে পরিবর্তন চাইছে, তা বৃহস্পতিবার ভোটদানের হার থেকেই স্পষ্ট। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে তাঁর আরও দাবি, কয়েকটি জেলা তৃণমূল খাতাই খুলতে পারবে না!

    বৃহস্পতিবার ভোটশেষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, প্রথম দফায় বিজেপি অন্তত ১২৫টি আসন পেতে চলেছে। এর পর শুক্রবার সকালে ১১০টির বেশি আসন পাওয়ার দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোদী অবশ্য কোনও সংখ্যা বলেননি। কিন্তু তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ তাঁদের ঢেলে ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।’ তাঁর সংযোজন, ‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে। ৪ মে-র পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই রাজ্যের দুর্দশাও দূর হয়ে যাবে।’

    পিছিয়ে নেই তৃণমূলও। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মমতা বলেছেন, ‘আমি যদি মানুষের নাড়ি বুঝতে পারি, তবে আপনাদের বলি, আমরা ইতিমধ্যেই চালকের আসনে বসে আছি। এ বার প্রত্যেকেই ভোট দিয়েছেন। কারণ, কেউ কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি ছিলেন না। যে হেতু অসংখ্য মানুষের নাম নির্মম ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি চাই ভোটগণনাও যেন সঠিক ভাবে হয়।’ মোদীর মতো মমতাও কোনও সংখ্যা বলেননি। তবে সংখ্যার উল্লেখ করে তৃণমূলের বিপুল ভোটে জয়ের দাবি করেছেন দলের এক মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘খুব কম হলেও আমরা ১২৫টি আসন জিতছি। এই সংখ্যা বেড়ে ১৩৫-ও হতে পারে।’ তৃণমূল মুখপাত্রের এ-ও দাবি, যা ভোট হয়েছে, তাতে নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হারতে চলেছেন! তাঁর কথায়, ‘উনি ভবানীপুরেও হারবেন। নন্দীগ্রামেও হারবেন। উনি প্রাক্তন বিধায়ক হতে চলেছেন।’

  • Link to this news (এই সময়)