পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের পাশাপাশি ‘হাইভোল্টেজ’ আসন হলো নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্র থেকে পদ্ম ফুলের প্রতীকে লড়ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেসের তুরুপের তাস বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসা পবিত্র কর, ভূমিপুত্র। কে জিতবেন নন্দীগ্রামে? তাকিয়ে গোটা বাংলা। শুক্রবার ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে একটি রোড শো থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের দাবি, নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীই জিতবে।
ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ফলাফল ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন অভিষেক। তিনি দাবি করেছিলেন, লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ৩০-এর বেশি আসনে জিতবে। প্রায় মিলে গিয়েছিল তাঁর কথা। লোকসভায় ২৯টি আসনে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই প্রসঙ্গ টেনেই এ দিন অভিষেক বলেন, ‘আমি একটা কথা বলব, আপনাদের ভালো লাগবে। এই মাটি থেকে আমি যা বলি, সেটা মিলে যায়। নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস জিতছে।’
শুক্রবার বিকেলে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের কপাটহাট মোড় থেকে এম বাজারের সামনে পর্যন্ত রোড শো করেন অভিষেক। এই কেন্দ্র থেকে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পান্নালাল হালদারকে জেতানোর বার্তা দেন তিনি। কর্মী, সমর্থকদের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, ‘এই কেন্দ্র থেকে আপনারা পান্নালালদা’কে জেতান। আপনারা পরিবারের লোক। যেখানে যা দরকার হবে, আপনারা আদেশ করবেন, আমি আমার সাধ্যমতো পালন করব।’
উল্লেখ্য, এ দিন সকালেই একটি সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, প্রথম দফার ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টি আসনে জিততে চলেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। পাল্টা হাওড়ার একটি জনসভা থেকে অভিষেক দাবি করেছেন, প্রথম দফায় তৃণমূল কংগ্রেস সেঞ্চুরি পার করে গিয়েছে।
যদিও নন্দীগ্রাম আসনে জেতার ব্যাপারে অভিষেকের দাবি নিয়ে বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘আমি তো আগেও বলেছিলাম, উনি নিজে এমপি আসন ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পড়তেন। উনি শিলিগুড়িতেও একই কথা বলেছেন।… এই ধরনের বক্তব্যের কোনও সারবত্তা নেই।’