• সুন্দরবনের নদী ভাঙন বনাম ডায়মন্ড হারবার মডেল, তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি দঃ ২৪ পরগনায় ফুটবে পদ্ম?
    প্রতিদিন | ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • কখনও আয়লা, কখনও আমফান! মাথা তুলে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই আবার ঝাপটা। উড়ে যায় ছাদ, ভেসে যায় সর্বস্ব। কপিলমুনি যেখানে গঙ্গা মাথায় করে এনে সাগরে মেশালেন, সেই জেলায় মাঝেমধ্যেই নেমে আসে কারও ‘অভিশাপ’! সেই মানুষগুলোর লড়াইয়ে সঙ্গে যাঁরা কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে পারেন, মানুষও তাঁদেরই সঙ্গে। তবে মেরুকরণের রাজনীতিও যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক। যে জেলার বিস্তীর্ণ অংশ আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়, সেখানে চোখ বন্ধ করে বাসিন্দারা বলে দিচ্ছেন, ‘তৃণমূলই জিতবে!’ স্থানীয়দের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন সব এখানে। এর সঙ্গে তো অবশ্যই রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একপাশে গঙ্গা, একপাশে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে বড় এই জেলায় বৈচিত্র্য অনেক, তবে রাজনীতিতে এখন রঙের বৈচিত্র্য খুব বেশি নেই। পদ্ম এখনও প্রবেশ করতে পারেনি এই জেলায়। একসময় ছিল বামেদের শক্ত ঘাঁটি। এই জেলার সাতগাছিয়া বিধানসভা থেকেই প্রায় দুই দশক ধরে বিধায়ক ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। কোথাও সিপিএম তো কোথাও আরএসপি। সুভাষ নস্কর, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই জেলায় এখন রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘাসফুল। একদিকে সুন্দরবন, একদিকে ভাঙড়, আর একদিকে বজবজ। একই জেলার মধ্যে হলেও দূরত্ব অনেক, ভোটারদের মন আলাদা, সমস্যা আলাদা, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিতেও পৃথক পৃথক অঙ্ক কষতে হয় রাজনীতিকদের। ২০২১-এর ফলাফল অনুসারে এই জেলার প্রায় সব আসনই তৃণমূলের দখলে। শুধুমাত্র ব্যতিক্রম নওশাদ সিদ্দিকি, আইএসএফের একমাত্র বিধায়ক। তবে ২০২৬-এর আগে বারবার শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি নেতাদের আনাগোনা দেখা গিয়েছে এই জেলায়। কিন্তু অভিষেকের গড়ে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। 

    কেন্দ্র-বিশ্লেষণ
    জেলার সামগ্রিক রাজনীতি বুঝতে গেলে কেন্দ্র ধরে বিশ্লেষণ করলে, তবেই ছবিটা স্পষ্ট হবে। সাগরদ্বীপ ঘেঁষা এলাকা অর্থাৎ যেখানে ঝড়-ঝাপটার দাপট বেশি, সেখানে ঝোঁক বেশি শাসকদলের দিকেই। গোসাবা, পাথরপ্রতিমা, কুলপি, ক্যানিং, কাকদ্বীপ পশ্চিম থেকে শুরু করে অন্যদিকে মহেশতলা, বজবজ বা বিষ্ণুপুর পশ্চিম- সবই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। কোথাও ‘পরিবর্তনে’র সঙ্গে সঙ্গে, কোথাও আবার ‘পরিবর্তনে’র আগে থেকেই এসেছে পরিবর্তন। বেশিরভাগ জায়গায় ২০১১ থেকেই রয়েছে তৃণমূল। ফলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই তুঙ্গে! 

    উল্লেখ করতেই হয় দুলাল দাসের কেন্দ্র মহেশতলা, বজবজ কেন্দ্রের কথা। এর মধ্যে বজবজের অশোক কুমার দেব, সেই ১৯৯৬ সাল থেকে বিধায়ক পদে রয়েছেন। কংগ্রেসের টিকিটে ৯৬ সালে বিধায়ক হন, তারপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূলে। এই সব কেন্দ্রে বিরোধীদের দাঁত ফোটানো কঠিন বলেই মনে করছেন এলাকার বাসিন্দারা। মগরাহাট পশ্চিমে গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, কাকদ্বীপে মন্টুরাম পাখিরার দাপট। অন্যদিকে, এবার এই জেলায় সবার নজরে রয়েছে যাদবপুর। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। বামেদের শক্তঘাঁটি বলেই পরিচিত ছিল এই এলাকা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হতেন। ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের মণীশ গুপ্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। তবে ভরা ঘাসফুলের মরশুমেও ২০১৬ বিধানসভায় এই আসন যায় সিপিএম প্রার্থী সুজন ভট্টাচার্যের দখলে। এবার গড় ফিরে পেতে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করেছে বামেরা। বুদ্ধবাবুর আবেগকে কাজে লাগিয়েই ভোটের ময়দানে প্রচার চালাচ্ছেন। যদিও বিকাশের করা একের পর এক মামলায় আইনি জটে নিয়োগ। যা নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। আর সেই ক্ষোভ ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হতে পারে। সেখানে বড় অ্যাডভান্টেজ পেতে পারেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। 

    ‘মডেল’ ডায়মন্ড হারবার- 

    এক সময়ের পর্তুগিজ জলদস্যুদের আস্তানা ছিল ডায়মন্ড হারবার। পরে ব্রিটিশরা সেই ডায়মন্ড হারবারেই হুগলি নদীর ধারে তৈরি করল দূর্গ। চিংড়িখালি ফোর্ট। আর সেই ডায়মন্ড হারবার আজ ঘাসফুল শিবিরের রাজনৈতিক দূর্গে পরিণত হয়েছে। সেই দূর্গ যে বিজেপির জন্য কার্যত অভেদ্য, তা বলাই যায়।

    লাল দূর্গ ডায়মন্ড হারবারে ভাঙন আসে ২০০৮ সাল থেকেই। প্রথমে জেলা পরিষদ, গ্রাম পঞ্চায়েত, তারপর বিধানসভা। তারপর লোকসভা। আর তারপর সেই ডায়মন্ড হারবারের সঙ্গে জুড়ে গেল ‘মডেল’ শব্দটা। কোভিড-কালে বাড়ি বাড়ি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে আজকের সেবাশ্রয়। তিলে তিলে যে গড় তৈরি করেছেন অভিষেক, সেখানে পান্নালাল হালদারের মতো প্রার্থীর জয় যেন সময়ের অপেক্ষা। আর শুধু এই কেন্দ্রেই নয়, সংসদীয় এলাকার মধ্যে থাকা মগরাহাট থেকে মহেশতলা, বজবজ- সর্বত্রই অভিষেকের প্রভাব অস্বীকার করতে পারছেন না বিরোধীদের একাংশও। স্থানীয়দের কথায়, ৪ এপ্রিলের পর এই সমস্ত বিধানসভায় অকাল হোলি খেলা হবে! আর তা সবটাই সবুজ।

    ফ্যাক্টর হবে প্রতীক উর?
    ২০২১-এর বিধানসভায় তিনি ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম প্রার্থী ছিলেন। ২০২৪ লোকসভায় তিনি ছিলেন অভিষেকের প্রতিদ্বন্দ্বী। আর সেই অভিষেকের হাত ধরেই এবার তিনি তৃণমূলে। সিপিএমে তাঁর জনপ্রিয়তার কথা আলোচিত হত আলিমুদ্দিনে। কিন্তু বামেদের তরুণ ব্রিগেডের ভরসাযোগ্য মুখের হঠাৎ দল বদলে যাওয়া ভোট-বাক্সেও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনীতিকরা। গত নির্বাচনে প্রতীক উরের প্রাপ্ত ভোট শতাংশের হার খুব বেশি ছিল না। কিন্তু সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় মুখ হিসেবে তাঁর অনুগামীর সংখ্যা নেহাত কম নয়! প্রতীক উর প্রতীক বদল করার পর, পতাকা বদলেছেন অনেকেই। ফলে সিপিএমের যেটুকু ভোট বেঁচে ছিল, সেটাও সবুজ-বাক্সে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সদ্য যোগ দেওয়া প্রতীক উর টিকিট পাননি ঠিকই, তবে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে একেবারে তৃণমূলস্তরে প্রচার করছেন প্রতীক। যা অনেকটাই তৃণমূলের সহায় হতে পারে বলে করা হচ্ছে। 

    নওশাদ-শওকত সমীকরণ
    বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে গুরুত্বের বিচারে ভাঙড়ের জায়গা অনেক আগে থেকেই অনেক উপরে। জেলায় আব্দুল রেজ্জাক মোল্লার দাপট এখনও বাংলার মানুষের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। সেই ক্যানিং পূর্বে এখন প্রভাব খাটে শওকত মোল্লার। একুশে আব্বাস সিদ্দিকি নিজের ভাইকে ময়দানে না নামালে হয়তো শওকত মোল্লার পথ হত নিষ্কন্টক। কিন্তু নওশাদ এখন সেই এলাকায় বড় ফ্যাক্টর। মাত্র পাঁচ বছরের রাজনীতিক নওশাদকে চ্যালেঞ্জ করতে শওকতকে নিজের কেন্দ্র ছাড়তে হয়েছে। এবার নওশাদ-শওকতের মুখোমুখি লড়াই। তবে ঘাসফুল ফোটানোর চেষ্টায় এই এলাকায় লাগাতার প্রচার চালাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। অন্যদিকে উঠে এসেছে আরও একটি নাম, আরাবুল ইসলাম। তৃণমূল ছেড়ে আসা আরাবুল এবার ক্যানিং পূর্বের আইএসএফের হয়ে ময়দানে নেমেছেন। নাক সিঁটকেও সঙ্গে থাকতে হয়েছে বামেদেরও। তবে ভাঙড়ের পাশাপাশি ক্যানিং পূর্বের মন অনেকটাই আইএসএফের দিকেই ঝুঁকে।

    এই জেলায় সংখ্যালঘু ভোট ২৫ শতাংশ। প্রায় ৩০ শতাংশ তফসিলি সম্প্রদায়ের। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে যখন বামেদের পিছনে ফেলে তৃণমূলের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে শুরু করে বিজেপি, তখন একটু একটু করে মাথা তুলতে শুরু করে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি। মেরুকরণ ছিল বাম আমলেও। মগরাহাট, বারুইপুর থেকে শুরু করে ভাঙড় কিংবা গার্ডেনরিচ, সংখ্যালঘু ভোটারই সিংহভাগ। তবে ২৬-এর ভোটে সংখ্যালঘু ভোট আবার তৃণমূলকে অ্যাডভান্টেজ দেবে কি না, সেটাই দেখার। বিশেষ করে এসআইআর নিয়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যা দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভোট রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। 

    ঝড়ের ধাক্কা এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ
    দক্ষিণ ২৪ পরগণার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে নদী-সমুদ্র! ঝড় যেন এই জেলার মানুষের কাছে অভিশাপ। কখনও ঝড়ের দাপটে ভেঙে যায় ঘর বাড়ি, তো আবার কখনও সুন্দরবন এলাকায় নোনা জল ঢুকে চাষের জমির নষ্ট। নদী ভাঙন একটা বড় এলাকার অন্যতম বড় সমস্যা। যদিও ভাঙন ঠেকাতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে সরকারের তরফে। ম্যানগ্রোভ রোপণ থেকে শুরু করে বাঁধ নির্মাণে জোর দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণের শিল্যানাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল মুড়িগঙ্গার উপর ব্রিজ। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি ভোট প্রচারে গিয়ে সুন্দরবনকে নতুন জেলা তৈরির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই পদক্ষেপ বড় মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করা হচ্ছে। তাই নয়, ভোটবাক্সে এর প্রভাব পড়বে বলেই আশা। 

    বেহালা পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র- 

    এই জেলার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দুই জেলা বেহালা পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভা। বেহালা পশ্চিমে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে এবার প্রার্থী করেছে তৃণমূল। এই কেন্দ্রেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় দীর্ঘদিন বিধায়ক ছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানোর পর থেকে তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে শাসকদল। এবার রত্নার উপরেই আস্থা রেখেছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। ভোট বাক্সে নিয়োগ দুর্নীতির প্রভাব নয়, উন্নয়ন প্রভাব যাতে থাকে সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ রত্নার কাছে। অন্যদিকে বেহালা পূর্বে এবার তৃণমূলের প্রার্থী শুভাশিস চক্রবর্তী। তবে গড় তৃণমূলের হওয়ায় এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শংকর শিকদার, সিপিএমের নিলয় মজুমদার কিংবা কংগ্রেসের অভিজিৎ রাহার দাঁত ফটানোটা যথেষ্ট কঠিন।

    সোনারপুর দক্ষিণ-

    এবারও এই কেন্দ্র থেকে লাভলী মৈত্র’কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। কিন্তু তাঁকে নিয়ে জনমানসে রয়েছে ক্ষোভ। এমনকী তাঁর প্রচারে গিয়ে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে হয়েছে, ‘লাভলি যেমন টেলিভিশনেরও কাজ করে, এলাকা করে। দেখুন নতুন যারা হয়, নতুন বাড়িতে ঢুকতে গেলে একটু …অনেক সময় আমরা প্রথম জানতে পারি না, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। আমার কী জীবনে ভুল হয়নি! নিশ্চয়ই কাজ করতে করতে কোথাও অজান্তে ভুল হয়েছে। পরে সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন। ও কিন্তু পার্টির খুব অনুগত।’ আর এই ক্ষোভকেই কাজে লাগিয়ে এই কেন্দ্রে খেলা ঘোরাতে মরিয়া বিজেপি। এবার তাই রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে টালিগঞ্জে এবারও একাধিপত্য ধরে রাখবেন বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস। 

    তবে শিল্প এবং কর্মসংস্থান জেলার অন্যতম ইস্যু। ফলতায় একের পর এক বন্ধ হয়েছে কারখানা। বজবজে বন্ধ হয়েছে চটকল। জবরদখলও এখানে ভোট-ফ্যাক্টর। ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় সড়কপথে ডায়মন্ড হারবার থেকে কলকাতা পৌঁছতে তিন ঘন্টারও বেশি সময় লাগে, যা নিয়ে মানুষের মনে রয়েছে ক্ষোভ। এছাড়াও কোনও কোনও এলাকায় সরকারি খাল বুজিয়ে বাড়ি, একের পর এক দোকানঘর মাথা তুলেছে। উপযুক্ত নর্দমা থাকার ফলে বর্ষায় জল জমা মানুষের ক্ষোভের কারণ। মহেশতলা, বজবজ, আমতলা এলাকা জমা জল সমস্যায় জর্জরিত। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তৃণমূল-বিজেপি সবপক্ষই। ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পরেশ রাম দাস বলেন, স্থানীয় মানুষের জন্য কাজ করা হয়েছে। জিতলে আরও কাজ করা হবে। যা সমস্যা আছে সেগুলো মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে জয় পেলে মেডিক্যাল কলেজ, ক্যানিং পুরসভা তৈরির আশ্বাস এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত বায়েন। শুধু তাই নয়, মহিলাদের দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)