অশোক লাহিড়ী একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ। তিনি ভারত সরকারের দ্বাদশ চিফ ইকোনমিক অ্যাডভাইজার (CEA) হিসেবে অটলবিহারী বাজপেয়ী ও মনমোহন সিং, দুই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই কাজ করেছেন। এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, আইএমএফ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক এবং বন্ধন ব্যাঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, চেয়ারম্যান ইত্যাদি উচ্চপদের দায়িত্ব সামলেছেন।
২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বালুরঘাট কেন্দ্র থেকে BJP-র টিকিটে লড়েছিলেন অশোক লাহিড়ী। ১৩,০০০-এর বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। তবে এই বার আর তাঁকে প্রার্থী করেনি দল। তাঁর জায়গায় টিকিট পেয়েছেন আইনজীবী বিদ্যুৎ কুমার রায়।
অশোক লাহিড়ীর মতো ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে BJP-র হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিশিষ্ট ইমিউনোলজিস্ট গোবর্ধন দাস-ও। তবে পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রে তৃণমূলের তপন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সাড়ে ছয় হাজারের কিছু বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। এক সময়ে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) অধ্যাপক ছিলেন, IISER ভোপালের ডিরেক্টর পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ বার তাঁকেও প্রার্থী করেনি BJP।
এই দুই কৃতি বাঙালির বিপুল অভিজ্ঞতা নীতি আয়োগের মতো সংস্থায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের প্রধান সরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হলো ‘নীতি আয়োগ’। সরকারের যাবতীয় প্রকল্প পরিকল্পনার দায়িত্বে রয়েছে এই সংস্থা। তবে বঙ্গে তীব্র ভোটযুদ্ধ চলাকালীন এঁদের নিয়োগ ভোট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা, বঙ্গবাসীর রাজনৈতিক হাতিয়ার কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।