শ্রীজাতর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা
আজকাল | ২৫ এপ্রিল ২০২৬
আজকাল ওয়েবডেস্ক: কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে কলকাতার অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে প্রতিবাদসভা করল নাগরিকদের একাংশ।
শুক্রবার এই কর্মসূচির আয়োজন করে ‘দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ’। এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সুজাত ভদ্র, অনুরাধা দেব, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, কল্যাণ সেনগুপ্ত, প্রণতি ঠাকুর, সৈকত মিত্র, সৈয়দ তানভীর নাসরিন, সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভন সুন্দর বসু, শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ-সহ বিশিষ্টজনেরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিযান প্রকাশনার কর্ণধার মারুফ হোসেন, খোয়াই প্রকাশনের কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, পালক প্রকাশনীর সম্রাট চক্রবর্তী, চিত্রা বসু, রাহুল চক্রবর্তী, সোমা চক্রবর্তী, নাজমুল হক, অমিত কালী ও সুমন ভট্টাচার্য প্রমুখ। সমগ্র কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন সুশান রায়।
আজকাল ডট ইনের মুখোমুখি হয়ে বরিষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুমন ভট্টাচার্য বলেন, ‘বর্তমানে গোটা পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেই সুযোগ নিয়ে কারা কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাকে উসকে দিয়ে তাঁকে জেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে, তা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানাতেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শ্রীজাতর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। কিন্তু প্রথমে বোঝা যাচ্ছিল না আদৌ সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সত্যি নাকি স্রেফ উসকে দেওয়া হয়েছে।
সেই পরিস্থিতিতে কমিশনের তরফে সুব্রত গুপ্ত জানান, বিশিষ্ট কবি শ্রীজাত ব্যানার্জির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়ো। তিনি বলেন, ‘এই খবরটির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনও যোগ নেই৷ খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়ো৷ কমিশন এভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে না। কোনও আদালতে যদি মামলা করা থাকে তবে তারা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে। এই বিষয়ে কমিশনের কোনও ভূমিকা নেই।’
কিন্তু তারপরে শ্রীজাত নিজে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানান, তাঁরা নামে আসলেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। কবির বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারির নির্দেশ আসার পরই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে।
নিজেই সামাজিক মাধ্যমে এই প্রসঙ্গে শ্রীজাত লেখেন, খবর একশো ভাগ সত্যি। ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি লেখেন, ‘আমার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটা ভুয়ো নয়, একশো ভাগ সত্যি। আপাতত এটুকুই। বাকি কথা পরে হবে।’