শুক্রবার হাওড়ার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, প্রথম দফাতেই তৃণমূল কংগ্রেস সেঞ্চুরি পার করে গিয়েছে। শনিবার বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন অভিষেক। সেখানে পরের দফা নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, দ্বিতীয় দফায় তৃণমূল কংগ্রেস ডবল সেঞ্চুরি পার করে যাবে। যদিও ঠিক কত সংখ্যক আসন পাবে তৃণমূল, সে ব্যাপারে কিছু জানাননি তিনি।
বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের উত্তর গুলাই চণ্ডীর মাঠে তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্রের সমর্থনে জনসভা করেন অভিষেক। সেখানেই তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, প্রথম দফায় ভোট হয়েছে গত পরশুদিন (২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার)। তৃণমূল সেঞ্চুরি পার করে দিয়েছে। ২৯ তারিখ ডবল সেঞ্চুরি পার হবে। সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে,আমি নিজেও জানি না।’
বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই বিধানসভা আসনটি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে জিতেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হাজি নুরুল। তিনি প্রয়াত হওয়ার পরে এই আসনটি উপনির্বাচন কেন হয়নি, সে নিয়েও এ দিন প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। বিজেপিকে কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, ‘প্রায় দুই বছর হয়েছে, গায়ের জোরে নির্বাচন আটকে রেখেছে। এই লোকসভা কেন্দ্রের কোনও প্রতিনিধি সংসদে না যেতে পারে। কারণ এখানে ভোট হলে বিজেপির প্রার্থী পাঁচ লক্ষ ভোটে হারবে।’
এই কেন্দ্রের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি, ভ্যাবলা স্টেশনের পাশে আন্ডারপাস নির্মাণ। কেন্দ্রের উপনির্বাচন না হওয়ার জন্যে এই সব সমস্যার কথা সংসদে তোলা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন অভিষেক। এ দিনের সভা উপস্থিত তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের আশ্বাস দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ হয়েও আপনাদের দাবি সংসদে তুলব। কেন্দ্রীয় সরকার এই আন্ডার পাস যদি না করে, যে ভাবে অন্যান্য প্রকল্প কেন্দ্রের সাহায্য রাজ্য সরকার করছে, একই ভাবে এই আন্ডার পাস কী ভাবে করা যায় সেটা আমরা দেখব।’