ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর নন্দীগ্রামে অশান্তি। ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ভেকুটিয়া ৩৬ নম্বর বুথের সামনে একটি দোকানে তৃণমূলকর্মী ঝন্টু মাইতি বসেছিলেন। হঠাৎই বিজেপির তিন জন কর্মী-সমর্থক অতর্কিতে এসে তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
ঝন্টু বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বাইরে কাজকর্ম করি। তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হলেও কোনরকম দলীয় কাকর্মের সঙ্গে জড়িত নই। কেন আমাকে মারল, আমি বুঝতে পারছি না। ওডিশাতে কাজ করি। ভোট দিতে এসেছি বাড়িতে। কোনও রকম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নই। ফ্ল্যাগ-ফেস্টুন কোথাও সাঁটাইনি। কাউকে কোথাও হুমকি দিইনি। তার পরেও কেন আমাকে মারধর করা হলো, বুঝতে পারছি না।’
বিজেপির অভিযোগ, নোংরা ভাষায় গালিগালাজ এবং সিআরপিএফ চলে গেলে মা-বোনেদের কটূক্তি করেছেন ঝন্টু। তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।
বিজেপি নেতা ধনঞ্জয় ঘড়া জানান, ‘নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন হয়েছে। তাই বুথে বুথে ৯২-৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে ভোটের পর এই ধরনের অশান্তি কাম্য নয়। ভোটের আগের দিন তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ কর্মীরা ভয় ও হুমকি দিয়েছিল। এই ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ।