ভবানীপুরে প্রচার চালানোর সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় বিঘ্ন। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের চক্রবেড়িয়া রোডে জনসভা করার সময়ে মাইকিং শুরু করে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখার পরপরই শুরু হয় সেই মাইকিং। তার জেরে দৃশ্যতই প্রবল বিরক্ত হতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে।
বার বার তিনি বলতে থাকেন, ‘আপনারা দেখছেন কী করছে... আমরা পারমিশন নিয়ে করছি সভা...ইলেকশনের তো কতগুলো রুলস আছে।’
বেশ কিছুক্ষণ বক্তব্য রাখার চেষ্টা করেন মমতা। কিন্তু মাইকিংয়ের আওয়াজে সমস্যা শুরু হয়। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। মমতা বলেন, ‘ওরা যখন মিটিং করবে, তোমরা পাল্টা লাগিয়ে দেবে। পুলিশ তুলতে আসলে মেয়েদের ধরে এফআইআর করে দেবে...।’
এর পরে দেখা যায় মঞ্চ থেকেই কাউকে ফোন করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফোন কী কথা হয়েছে, তা অবশ্য শোনা যায়নি। ফোন রাখার পরে ফের মাইক হাতে নিয়ে মমতার তোপ, ‘ওরা পশ্চিমবঙ্গকে গায়ের জোরে দখল করতে আসছে... এমন চিৎকার করে যাচ্ছে যাতে আমি সভা করতে না পারি।’ গোটা বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা।
শেষ পর্যন্ত সভা না করেই মঞ্চ ছাড়েন তিনি। বক্তব্য না রাখতে পারার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি। আগামিকাল এই এলাকায় মিছিল করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মঞ্চ ছাড়ার আগে তাঁকে ভোট দেওয়ার আবেদন করে যান তিনি।
এ দিনই ভবানীপুরে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর থানা এলাকায় প্রচার সারছিলেন তিনি। সেই সময়ে ওই এলাকায় তৃণমূলের একটি মিছিল এসে পৌঁছয়। বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে মাইক বাজাতে থাকে তৃণমূল, অভিযোগ বিজেপির। খোদ শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, তিনি অনুমতি নিয়ে মিছিল করলেও তাঁর রাস্তায় এসে সমস্যা করেছে তৃণমূল। তারপরে বিকেলে ভবানীপুরেই বিজেপির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।