• আরও ড্রোন উড়বে দ্বিতীয় দফায়! স্পর্শকাতর বুথের নজরদারিতে থাকবে তিনটি করে ক্যামেরা
    এই সময় | ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত গোলমাল ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোটই হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। ভোটদানের হারেও বাংলা রেকর্ড গড়েছে দেশে। এই সব দিক নজরে রেখে দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। সেই মতো স্পর্শকাতর বুথগুলিতে নজরদারি চালাতে আরও বেশি সংখ্যক ড্রোন ওড়ানোর সিদ্ধান্ত িনল তারা।

    কমিশন সূত্রে খবর, স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি চালানোর জন্য আরও বেশি সংখ্যায় ড্রোন ব্যবহার করা হবে।় সীমান্তবর্তী যে সব জেলায় ভোট হওয়ার কথা, সেখানে ড্রোনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথে থাকবে তিনটি করে ক্যামেরা। বুথের ভিতরে থাকবে দু’টি আর বাইরে থাকবে একটি। এ ছাড়াও শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকা নয়, এ বার বুথ‌মুখী সব রাস্তাতেও ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত‌ নিয়েছে কমিশন। মূলত মূলত কলকাতা এবং হাওড়ার মতো ঘিঞ্জি বা ঘনবসতি এলাকায় যে সমস্ত বুথ থাকবে, সেই সমস্ত বুথের ক্ষেত্রেই তা মেনে চলা হবে। ‌

    বুথের গোত্র নির্ধারণ করা কমিশনের চিরাচরিত কাজ। বুথগুলিকে তারা সাধারণ, স্পর্শকাতর, উত্তেজনাপ্রবণ ইত্যাদি ভাগে ভাগ করে থাকে। কিন্তু বরাবর সেই পদ্ধতি চলে আসার পরেও ভোটের আগে, ভোটের সময়ে এবং পরের পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনের দিকে আঙুল উঠে এসেছে। কারণ, ভোটের হিংসা-অশান্তি ঠেকানো যায়নি। কমিশন সূত্রের বক্তব্য, এই দিকগুলিকে নজরে রেখে এ বার খানিক ভিন্ন পথে হেঁটেছে কমিশন।

    বিগত দিনের অভিযোগ—ক্যামেরা থাকলেও, তা ঠিক ভাবে কাজ করত না। নজরদারি থাকত ঢিলেঢালা। এলাকায় এলাকায় আটকে দেওয়া হত ভোটারদের। বুথের ভিতরেও ভোটার, ভোটকর্মীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হত। কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যাপ্ত থাকলেও, তা ব্যবহার করতে দেখা যেত না সে ভাবে। তা নজরে রেখেই এ বার কমিশন সর্বাধিক জোর দিয়েছে ভোটের নজরদারিতে। সেই মতো প্রতি ১০টি বুথের জন্য একটি করে ক্যুইক রেসপন্স টিম বরাদ্দ থাকছে। সেই গাড়িগুলি ক্যামেরা এবং জিপিএস সুবিধাযুক্ত।

  • Link to this news (এই সময়)