দ্বিতীয় দফার ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আর চার দিন বাকি। সব নজর এখন রয়েছে ‘হাইভোল্টেজ’ ভবানীপুরে (Bhawanipur)। এই কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। এই আবহে শনিবার ভবানীপুরের অন্তর্গত কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি-সহ একাধিক পদে রদবদল করলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার।
এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের তরফে জানানো হয়েছে, কালীঘাট থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে গৌতম দাসকে। অ্যাডিশনাল ওসি-র দায়িত্ব নিচ্ছেন উত্তমকুমার পাইক। দুই অফিসারই আগে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ছিলেন। এর সঙ্গে আলিপুর থানার ওসির পদে নিয়ে আসা হয়েছে সুব্রত পান্ডেকে। তিনি কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিভিশনে ছিলেন।
তবে শুধু কালীঘাট এবং আলিপুর নয়, উল্টোডাঙা মহিলা থানাতেও রদবদল হয়েছে। নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে। তিনি আগে আলিপুর থানার অ্যাডিশনাল ওসি ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বদলির সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে এটা ভোটের আগে প্রশাসনিক বদলি বলেই মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পরে ৩০ মার্চ বিভিন্ন থানার ওসি, আইসি, সাব ইন্সপেক্টর-সহ মোট ১৪২ জন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকায় ছিলেন কালীঘাট, ভবানীপুর-সহ কলকাতার ৩১ থানার অফিসার। বদলি করা হয়েছিল গোয়েন্দা বিভাগেও। DIB থেকেও ১১ জনকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন।
এপ্রিলের শুরুতে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নপত্র জমার মিছিলে ব্যাপক অশান্তির জেরেও চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছিল কমিশন। কলকাতা পুলিশের ডিসি (২) সিদ্ধার্থ দত্ত, আলিপুর থানার ওসি প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী, অতিরিক্ত ওসি চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সার্জেন্ট সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে সাসপেন্ডের পাশাপাশি বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।