• মোদির কাজ দেশদ্রোহিতার, কলকাতায় আক্রমণ রাহুলের
    বর্তমান | ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও চুঁচুড়া: শনিবারের বিকেলে শহিদ মিনার ময়দানে রাহুল গান্ধীর সভা ভরাতে পারল না কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। কার্যত ফাঁকা মাঠে বক্তব্য রাখলেন রাহুল। মাঠ দেখে অনেকে বলছেন, এসইউসি-আইএসএফও শহিদ মিনার ভরিয়ে দেয়। কংগ্রেস পারে না। নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতা করে বক্তব্য শুরু করেছিলেন। তাঁর গঙ্গাবক্ষে ভ্রমণকে কটাক্ষ করেন তিনি। ভোট চোর বলেন। মোদির সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক সহ বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যিনি নিজেকে দেশভক্ত বলেন। এই কাজগুলি দেশদ্রোহিতার কাজ।’  রাহুল শহিদ মিনার থেকে আরও বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা করেছেন মোদি। এখন জামিনে আছি। আমার সরকারি বাড়ি নিয়ে নিয়েছে।’ তারপর শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা। মোদি কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে নেননি, প্রশ্ন তোলেন রাহুল। তৃণমূল বলেছে, রাহুলের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। তৃণমূল মনে করিয়ে দিয়েছে, ভোটের সময়ও ইডি-সিবিআই তৃণমূল নেতাদের ছাড়েনি। তখন রাহুল তাঁর পোষ্যকে বিস্কুট খাওয়াতে ব্যস্ত ছিলেন। রাহুল বলেছেন, তিনি সকাল থেকে স্থির করেন কীভাবে বিজেপি-আরএসএসের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায়। তৃণমূল বলেছে, এখন বাংলা ও পরে দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিক, কে বিজেপিকে হারাতে পারে। কংগ্রেস যদি সত্যিই মনোযোগী হত, তবে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লি ও বিহারে বিজেপি জিততে পারত না। শহিদ মিনারে সাংবাদিকদের সঙ্গে একটা সময় বচসা বাঁধে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের। কলকাতার আগে তিনি শ্রীরামপুরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সমর্থনে সভা করেন গুমোডাঙা হাইস্কুলের মাঠে। সেখানে তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি হিংসার সওদাগর। কংগ্রেস দেশকে ভাতৃত্বের বন্ধনে জুড়তে চায়।’ সন্ধ্যায় তিনি মেটিয়াবুরুজে আরও একটি সভা করেন। ছবি: সায়ন চক্রবর্তী
  • Link to this news (বর্তমান)